রাজধানী
শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়: ফরেনসিক প্রতিবেদন
ফরেনসিক ও ডিএনএ প্রোফাইলিং প্রতিবেদনে নিশ্চিত করা হয় রাজধানীর পল্লবীতে দ্বিতীয় শ্রেণির শিশু রামিসা আক্তারকে (৭) হত্যার আগে নির্মমভাবে ধর্ষণ করা হয়েছিল। ডিএনএ পরীক্ষার চূড়ান্ত ফলাফলের ভিত্তিতে পুলিশ নিশ্চিত করেছে যে, মূল অভিযুক্ত সোহেল রানাই রামিসাকে পাশবিক নির্যাতনের পর শ্বাসরোধে হত্যা করে।
শনিবার সিআইডির ফরেনসিক ইউনিট এবং শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ মামলার তদন্ত কর্মকর্তার কাছে এই ময়নাতদন্ত ও ডিএনএ পরীক্ষার চূড়ান্ত প্রতিবেদন হস্তান্তর করেছে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট উচ্চপদস্থ সূত্র জানিয়েছে, সরকারের বিশেষ নির্দেশনা অনুযায়ী রোববার (২৪ মে) বিকেলের মধ্যেই আদালতে এই মামলার চূড়ান্ত অভিযোগপত্র (চার্জশিট) জমা দেওয়ার জোর প্রস্তুতি চলছে। খসড়া তৈরি শেষে বর্তমানে সিডিএমএস (ক্রাইম ডাটা ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম) সফটওয়্যারে ডেটা এন্ট্রি করাসহ কিছু কারিগরি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করছে পুলিশ। এই দ্রুততম সময়ে দাখিল হতে যাওয়া চার্জশিটে প্রধান আসামি সোহেল রানা এবং তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে অভিযুক্ত করা হচ্ছে।
এর আগে গত বুধবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারকের খাসকামরায় ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন প্রধান আসামি সোহেল রানা। জবানবন্দিতে তিনি স্বীকার করেন যে, ঘটনার পূর্বে তিনি ইয়াবা সেবন করেছিলেন এবং এরপরই শিশু রামিসাকে ধর্ষণ ও শ্বাসরোধে হত্যা করেন।