আইন আদালত

তাহসিফ সাউরি হত্যা মামলায় আরও ৩ দিনের রিমান্ডে বান্ধবী দিশা


ঢাকাপ্রকাশ ডেস্ক
প্রকাশ: ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:১৭ পিএম

তাহসিফ সাউরি হত্যা মামলায় আরও ৩ দিনের রিমান্ডে বান্ধবী দিশা
ছবি: সংগৃহীত

বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা কে এম তাহসিফ সাউরি হত্যা মামলায় তার বান্ধবী জেরিকা তাসনিম দিশাকে আরও তিন দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত। পুলিশের সাত দিনের রিমান্ড আবেদনের পর শুনানি শেষে বুধবার এ আদেশ দেওয়া হয়।

ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতের বিচারক মো. মনজুরুল ইসলাম এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন। অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর মুহাম্মদ শামসুদ্দোহা সুমন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আদালতে দেওয়া পুলিশের ফরোয়ার্ডিং প্রতিবেদনে দিশাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাতটি কারণ উল্লেখ করেছেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা।

প্রতিবেদনে বলা হয়, জিজ্ঞাসাবাদে দিশা জানিয়েছেন, ২৭ অক্টোবর রাতে ঘটনার আগে তিনি তাহসিফের সঙ্গে উত্তরার নেস্ট বার অ্যান্ড রেস্টুরেন্টে গিয়েছিলেন। একই দিন সন্ধ্যায় কয়েকবার ‘সিপি ফাইভ স্টার স্ন্যাকস’ দোকানে যান তিনি। এ ছাড়া তাহসিফের সঙ্গে একটি মোটরসাইকেলের গ্যারেজে যাওয়ার পাশাপাশি তার মোটরসাইকেলে বিভিন্ন জায়গায় ঘোরার কথাও জানিয়েছেন দিশা।

পুলিশের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, দিশা ঘটনার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি তথ্য দিয়েছেন। তবে তদন্তের স্বার্থে সেগুলো গোপন রাখা হয়েছে এবং যাচাই করা হচ্ছে। এ ছাড়া জিজ্ঞাসাবাদের সময় তিনি বেশ কয়েকটি প্রশ্নের উত্তর এড়িয়ে গেছেন এবং নীরব ছিলেন।

তদন্তকারী কর্মকর্তা প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন, মামলার আরেক আসামি আহমেদ শাহরিয়ার রেজা দীপ বর্তমানে রিমান্ডে রয়েছেন। দিশা ও দীপের দেওয়া তথ্যের মধ্যে মিলিয়ে দেখা প্রয়োজন।

এর আগে গত ১ নভেম্বর দিশাকে সাত দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করে পুলিশ। শুনানি শেষে আদালত তার চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। মামলার নথি অনুযায়ী, ১৯ বছর বয়সী দিশাকে ওই দিন রাত ২টার দিকে রাজধানীর কাফরুলের বাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

অন্যদিকে, তাহসিফের জুনিয়র বন্ধু ২৩ বছর বয়সী দীপকে গত ৩১ অক্টোবর চার দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়। এর আগে ২৯ অক্টোবর মোহাম্মদপুরের বাসা থেকে তাকে হেফাজতে নেয় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন। গতকাল তাকে আবারও তিন দিনের রিমান্ডে পাঠানো হয়েছে।

গত ৩১ অক্টোবর তাহসিফের বাবা কে এম এনায়েতুল করিম উত্তরখান থানায় অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা করেন। মামলার অভিযোগে বলা হয়, তার ছেলেকে হত্যা করে লাশ গুমের উদ্দেশ্যে নদীতে ফেলে দেওয়া হয়েছিল।