বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০২৪ | ৩ শ্রাবণ ১৪৩১
Dhaka Prokash

৩০ হাজারের রাউটার ৬ লাখ, দেড় লাখের প্রিন্টার ১৫ লাখে কিনেছে আরইবি!

প্রতীকী ছবি। ছবি: সংগৃহীত

পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের (আরইবি) কেনাকাটায় ব্যাপক অনিয়মের তথ্য মিলেছে। ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্য একেকটি রাউটার ৫ লাখ ৮০ হাজার টাকা দিয়ে কিনেছে আরইবি। অথচ বাজারে একই মানের রাউটারের দাম মানভেদে ৩০ হাজার থেকে সর্বোচ্চ ৬০ হাজার টাকা। শুধু রাউটারই নয়; প্রিন্টার, কম্পিউটার, ল্যাপটপ, স্লিপ প্রিন্টার, এসিসহ বিভিন্ন পণ্য বাজার দরের চেয়ে কেনা হয়েছে অনেক বেশি দামে। এসব মালপত্র বিভিন্ন পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিতে সরবরাহ ও স্থাপন করেছে বিদ্যুৎ বিতরণকারী রাষ্ট্রীয় সংস্থাটি।

‘প্রি-পেমেন্ট ই-মিটারিং ইন ঢাকা ডিভিশন আন্ডার রুরাল ইলেকট্রিফিকেশন প্রোগ্রাম (ফেইজ-১)’ নামে একটি প্রকল্পের আওতায় ১১টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জন্য এসব মালপত্র কিনেছে আরইবি। মধ্যে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ওয়েশন গ্রুপ লিমিটেড (ডব্লিউজিএল) পাঁচটি এবং হেক্সিং ইলেকট্রিক্যাল কোম্পানি লিমিটেড (এইচইএল) ছয়টি সমিতিতে মালপত্র সরবরাহ করেছে। একই প্রকল্পের আওতায় একই কাজের জন্য দুই ধাপে এসব মালপত্র কেনা হলেও প্রতিষ্ঠান দুটির দামের ক্ষেত্রে রয়েছে বিশাল পার্থক্য।

দেশের ৮০টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জন্য আরইবি বিভিন্ন সময়ে যেসব মালপত্র কিনে থাকে। এসব মালপত্র কেনার সব তথ্য যাচাই-বাছাই করলে বিপুল পরিমাণ অনিয়ম দুর্নীতির চিত্র উঠে আসবে বলে অভিযোগ করেছেন আরইবির অন্তত তিনজন কর্মকর্তা।

১১টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মধ্যে ছয়টি সমিতিতে মালপত্র সরবরাহের মূল্যতালিকা গণমাধ্যমের হাতে এসেছে। এর মধ্যে তিনটি সমিতিতে ডব্লিউজিএল ৫০টি এইচপি ব্র্যান্ডের ডেস্কটপ কম্পিউটার (কোর আই ফাইভ) সরবরাহ করেছে। প্রতিটি কম্পিউটারের দাম ৫ লাখ ৭২ হাজার ৮৬২ টাকা হিসাবে মোট ২ কোটি ৮৬ লাখ ৪৩ হাজার টাকা নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। অথচ বাজারে ওই মানের একটি কম্পিউটারের দাম ৬০-৬৫ হাজার টাকা। অন্যদিকে একই প্রকল্পে এইচইএল তিনটি সমিতিতে ৪০টি একই ধরনের কম্পিউটার সরবরাহ করেছে মাত্র ৫৭ হাজার টাকা করে। যার মোট মূল্য ২২ লাখ ৮০ হাজার টাকা।

এদিকে, বিল পরিশোধের পর গ্রাহককে রসিদ দেওয়ার জন্য বেশ কয়েকটি প্রিন্টার কিনেছে আরইবি। এর মধ্যে ডব্লিউজিএল তিনটি সমিতিতে ৬১টি প্রিন্টার সরবরাহ করেছে প্রায় ১ কোটি ১২ লাখ ৮০ হাজার টাকায়। প্রতিটি প্রিন্টারের দাম পড়েছে ১ লাখ ৮৪ হাজার ৯০৯ টাকা। অথচ বাজারে মানভেদে এ ধরনের প্রিন্টারের দাম ১৫ হাজার থেকে ৩২ হাজার টাকা। তিনটি সমিতিতে ৪০টি প্রিন্টার সরবরাহ করেছে এইচইএল। তাদের প্রতিটি স্লিপ প্রিন্টারের দাম মাত্র ১৬ হাজার ৩৭০ টাকা।

২৫টি লেজার প্রিন্টার সরবরাহ করেছে ডব্লিউজিএল। প্রতিটির দাম ধরা হয়েছে ১৫ লাখ ৫৯ হাজার টাকা। যার বাজারমূল্য মানভেদে সর্বোচ্চ ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা। অন্যদিকে ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা করে ২০টি লেজার প্রিন্টার সরবরাহ করেছে এইচইএল।

২৫টি নেটওয়ার্ক রাউটার সরবরাহ করে ১ কোটি ৪৫ লাখ টাকা নিয়েছে ডব্লিউজিএল। প্রতিটি রাউটারের দাম পড়েছে ৫ লাখ ৮০ হাজার টাকা। একই ধরনের ২০টি রাউটার সরবরাহ করেছে এইচইএল। প্রতিটির মূল্য নিয়েছে ৩৫ হাজার ৩৯৫ টাকা। এর বাজারমূল্য মানভেদে ৩০ হাজার থেকে সর্বোচ্চ ৬০ হাজার টাকা।

এইচপি ব্র্যান্ডের একেকটি ল্যাপটপের দাম (কোর আই ফাইভ, ১৫ ইঞ্চি) প্রায় ৪ লাখ ৮৬ হাজার টাকা নিয়েছে ডব্লিউজিএল। অথচ জেনুইন অপারেটিং সিস্টেমসহ এই মানের ল্যাপটপের বাজারমূল্য ৯০-৯৫ হাজার টাকা। আর এইচইএল সরবরাহ করেছে ১ লাখ ১ হাজার ৭৬১ টাকা করে ৩৮টি ল্যাপটপ।

অনুসন্ধানে দেখা গেছে, কম্পিউটারের সঙ্গে উইনডোজ অপারেটিং সিস্টেমের একটি নিবন্ধনকৃত সফটওয়্যার সরবরাহ করা হয়েছে। কিন্তু যে ব্র্যান্ডের কম্পিউটারটি কেনা হয়েছে তাতে প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান নিবন্ধনকৃত ওই সফটওয়্যার ফ্রি দিয়ে থাকে। একইভাবে স্লিপ প্রিন্টার, রাউটার এবং লেজার প্রিন্টারের সঙ্গে সফটওয়্যার কেনা বাবদ ব্যয় দেখানো হলেও বাস্তবে সেখানে যে সফটওয়্যার ব্যবহার হয়, তাও প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান ফ্রি সরবরাহ করে।

তখন প্রকল্পের পরিচালক ছিলেন আরইবির বর্তমান পরিচালক (কারিগরি) মো. রফিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, দরপত্রের মাধ্যমে মালপত্রগুলো কেনা হয়েছে, যেখানে অনেক বেশি প্রতিযোগিতা হয়েছিল। এখানে কিছু আইটেমের দাম বেশি মনে হলেও কোনো কোনো আইটেমের দাম বাজারদরের চেয়ে অনেক কম। যেমন একটা মিটার স্থাপন করতে ন্যূনতম ৩০০ টাকা দরকার। কিন্তু এখানে ঠিকাদার এই কাজটি মাত্র সাড়ে ৪ থেকে সাড়ে ৫ টাকায় করেছে।

এ বিষয়ে আরইবির চেয়ারম্যান অজয় কুমার চক্রবর্তী গণমাধ্যমকে বলেন, আমি একটা জরুরি মিটিংয়ে আছি। পরে আরইবির সদস্য (বিতরণ ও পরিচালন) দেবাশীষ চক্রবর্তীর সঙ্গে কথা বলার পরামর্শ দেন তিনি।

দেবাশীষ চক্রবর্তীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘আমি অন্য সেকশনের। তাই বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে খোঁজ নিয়ে দেখব।’

এ বিষয়ে কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) জ্বালানি উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. এম শামসুল আলম বলেন, প্রতিযোগিতার মাধ্যমে ‘আইটেম ওয়াইজ’ দর এবং গুণগত মান যাচাই করে যৌক্তিক মূল্যের ভিত্তিতে সর্বনিম্ন দরদাতাকে কাজ দেওয়াই হলো দেশের আইনি বিধান। সামগ্রিকভাবে যার দর কম তাকে কাজ দিতে হবে এমন কোনো বিধান আইনে নেই। প্রকল্প পরিচালক এটা করতে পারেন না। এখন তারা নিজেদের মতো ব্যাখ্যা দিলে তো হবে না।

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, যদি এ তথ্য সঠিক হয়, তাহলে এটা পুকুর চুরি নয় বরং সাগর চুরি। পণ্যের প্রকৃত বাজার মূল্যের সঙ্গে আরইবির কেনাকাটায় যে বিশাল তারতম্য, তাতে রাষ্ট্রীয় সম্পদ আত্মসাৎ করা হয়েছে এখানে। সঠিক তদন্তের মাধ্যমে সংশ্লিষ্টদের জবাবদিহির আওতায় আনা উচিত।

Header Ad

রাজধানী ঢাকার সঙ্গে সব জেলার বাস যোগাযোগ বন্ধ

গাবতলী বাস টার্মিনাল। ছবি: সংগৃহীত

শিক্ষার্থীদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে পুলিশ-বিজিবি-র‍্যাব ও সোয়াটের ন্যক্কারজনক হামলা, খুনের প্রতিবাদ, খুনিদের বিচার, সন্ত্রাসমুক্ত ক্যাম্পাস নিশ্চিত করা এবং কোটাব্যবস্থার যৌক্তিক সংস্কারের দাবিতে আজ সারা দেশে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ (সর্বাত্মক অবরোধ) পালিত হচ্ছে। এর ফলে ঢাকার সঙ্গে সব জেলার বাস যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) সকাল থেকে রাজধানীর গাবতলী, মহাখালী, সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল থেকে দূরপাল্লার কোনো বাস ছেড়ে যায়নি। অন্যান্য জেলা থেকেও আসছে না কোনো বাস।

‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচিতে হাসপাতাল, গণমাধ্যমসহ অন্যান্য জরুরি সেবা ছাড়া এই কর্মসূচি চলাকালে সব কিছু বন্ধ থাকবে—ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।

গাবতলী ও সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালের বিভিন্ন কাউন্টারের স্টাফ গণমাধ্যমকে জানান, মালিকরা বাস চলাচল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

এসময় একাধিক পরিবহনের টিকেট কাউন্টের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা হলে তারা জানান, টার্মিনালে যাত্রীর সংখ্যা খুব কম। এ কারণে আমরা বাস ছাড়িনি।

এদিন সকালে গাবতলী বাস টার্মিনালে গিয়ে দেখা যায়, যাত্রী না থাকায় টার্মিনালের প্রায় সব টিকিট কাউন্টার ফাঁকা। টার্মিনালের অনেক বাস কাউন্টার বন্ধ দেখা গেছে। সারি সারি দাঁড়িয়ে আছে বাসগুলো।

রাজধানীতে আ. লীগের প্রতিবাদ সমাবেশ পণ্ড করে দিলেন আন্দোলনকারীরা

আওয়ামী লীগের প্রতিবাদ সমাবেশ পণ্ড। ছবি: সংগৃহীত

ঢাকার মিরপুর-১০ নম্বর গোলচত্বরে আওয়ামী লীগের প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ সমাবেশ পণ্ড করে দিয়েছে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা। বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

মিরপুর-১০ গোলচত্বরে 'কোটাবিরোধী আন্দোলনের ওপর ভর করে স্বাধীনতা বিরোধীদের নৈরাজ্য সৃষ্টির' প্রতিবাদে এই সমাবেশ ও বিক্ষোভ অনুষ্ঠান করছিলেন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা।

জানা গেছে, সমাবেশ চলাকালে ওই এলাকায় হাজারেরও বেশি আন্দোলনকারী উপস্থিত হয়ে ধাওয়া দিলে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা সেখান থেকে চলে যান। এ সময় আন্দোলনকারীরা সমাবেশের জন্য আনা চেয়ার ভাঙচুর করেছেন, ব্যানার ছিঁড়ে ফেলেছেন।

এ ঘটনার কিছুক্ষণ পরেই পুলিশ সাউন্ড গ্রেনেড ছুড়ে আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। পরে আন্দোলনকারীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে আশেপাশের বিভিন্ন গলিতে অবস্থান নেন।

প্রসঙ্গত, চলমান কোটা সংস্কার আন্দোলনে ছাত্রলীগের হামলা, সাধারণ শিক্ষার্থীদের হত্যা এবং ঢাবি প্রশাসনের নির্দেশে শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের নির্বিচার হামলার প্রতিবাদে আজ বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) সারা দেশে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন।

যাত্রাবাড়ীতে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ, ২ পথচারী গুলিবিদ্ধ

যাত্রাবাড়ীতে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ। ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকায় কোটা বিরোধীদের সঙ্গে পুলিশের দফায়-দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় দুই পথচারী গুলিবিদ্ধ হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

এর আগে বুধবার (১৭ জুলাই) সন্ধ্যার পর ওই এলাকায় আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠন এবং পুলিশ আক্রমণ করলে শিক্ষার্থীরাও পাল্টা আক্রমণ করেন। একপর্যায়ে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা মেয়র হানিফ ফ্লাইওভারের কাজলা অংশের টোলপ্লাজায় আগুন ধরিয়ে দেন। এ ঘটনায় দুই বছরের এক শিশুসহ অন্তত ৬ জন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। নিহত হয়েছেন একজন।

পরে রাত সোয়া ৩টার দিকে পুলিশ-র‍্যাব-বিজিবির যৌথ টহলের পর যাত্রাবাড়ী-শনিরআখড়া এলাকায় যান চলাচল শুরু হয়। কিন্তু এরপর আবার তা দখলে নেন আন্দোলনকারীরা। বর্তমানে মহাসড়কের উভয় পাশে যান চলাচল বন্ধ আছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, আন্দোলনকারীদের ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচির কারণে কোনো যানবাহন ঢাকা থেকে বের হতে পারছে না এবং ঢুকতেও পারছে না। এমনকি রিকশা, মোটরসাইকেল, সাইকেলও যেতে দেওয়া হচ্ছে না। এর ফলে ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। বিশেষ করে অফিসগামী মানুষেরা পড়েছেন চরম ভোগান্তিতে। অনেক মানুষকে হেঁটে গন্তব্যে যেতে দেখা গেছে।

পথচারীরা জানান, মহাসড়কের রায়েরবাগ অংশে ব্যারিকেড দেওয়ার কারণে ঢাকা থেকে কোনো গাড়ি বের হতে পারছে না। ফলে অনেক গাড়ি আটকা পড়েছে। এর মধ্যে পণ্যবাহী গাড়ির সংখ্যা বেশি। পাশাপাশি দূরপাল্লার বাস, সিএনজিচালিত অটোরিকশাও রয়েছে। অপরপাশে মাতুয়াইল মেডিকেল এলাকায় ব্যারিকেডের কারণে কোনো যানবাহন ঢাকায় ঢুকতে পারছে না।

সর্বশেষ সংবাদ

রাজধানী ঢাকার সঙ্গে সব জেলার বাস যোগাযোগ বন্ধ
রাজধানীতে আ. লীগের প্রতিবাদ সমাবেশ পণ্ড করে দিলেন আন্দোলনকারীরা
যাত্রাবাড়ীতে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ, ২ পথচারী গুলিবিদ্ধ
স্বামীকে তালাক দিলেন দুবাইয়ের রাজকন্যা শেখা মাহরা
সাউন্ড গ্রেনেড ছুঁড়ে ব্র্যাকের শিক্ষার্থীদের ক্যাম্পাসে ঢুকিয়ে দিল পুলিশ
কোটা আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের সাথে রাস্তায় নামবো: চমক
ঢাকাসহ সারা দেশে ২২৯ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন
রাজধানী ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে চলছে না মোবাইল ডাটা
রিয়াল মাদ্রিদে আরো এক বছর লুকা মদ্রিচ
করোনায় আক্রান্ত মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন
আজ কোটা আন্দোলনকারীদের ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি
হানিফ ফ্লাইওভারে কোটা আন্দোলন নিয়ে সংঘর্ষ, গুলিতে তরুণ নিহত
শাবিপ্রবিতে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ ঘোষণা
যাত্রাবাড়ীতে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ
ফরিদপুরে দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৩, আহত ৩০
কাল সারা দেশে বিক্ষোভ ডেকেছেন চরমোনাই পীর
বৃহস্পতিবার সারাদেশে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ ঘোষণা কোটাবিরোধীদের
কোটা নিয়ে যেসব কথা বললেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীর মাথায় পুলিশের গুলি
গায়েবানা জানাজা বলে কিছু নেই বলে ইমামকে নিয়ে গেল ওসি আমিনুল