জাতীয়
পে স্কেলে সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন বেতন নিয়ে নতুন প্রস্তাব
আসন্ন নবম জাতীয় পে–স্কেলে সর্বোচ্চ বেতন ১ লাখ ৪০ হাজার এবং সর্বনিম্ন ৩৫ হাজার টাকা নির্ধারণের প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় কর্মচারী ফেডারেশন (বাআবিকফ)। একই সঙ্গে বছরে ১০ শতাংশ বেতন বৃদ্ধি, টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড পুনরায় চালু এবং বিভিন্ন ভাতা বৃদ্ধিসহ ২১ দফা দাবি উত্থাপন করেছে সংগঠনটি।
সম্প্রতি জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ফেডারেশনের নেতারা এসব দাবি জানান।
লিখিত বক্তব্যে সংগঠনের চেয়ারম্যান মো. সেলিম মিয়া বলেন, ‘২০১৫ সালের বৈষম্যপূর্ণ অষ্টম পে–স্কেল কার্যকরের পর থেকে আমরা বৈষম্যমুক্ত নবম পে–স্কেল এবং অন্যান্য যৌক্তিক দাবির জন্য আন্দোলন করছি। এবার সরকার যদি বাজারব্যবস্থা, ছয় সদস্যের পরিবারের ব্যয় ও বিদ্যমান বেতন বৈষম্য বিবেচনায় নেয়, তবে তা হবে কর্মচারীদের জন্য বড় স্বস্তি।’
সংগঠনটি শিক্ষা, চিকিৎসা ও যাতায়াত খাতে ভাতা বৃদ্ধির পাশাপাশি সরকারি কর্মচারীদের জন্য রেশন পদ্ধতি চালুর দাবিও জানিয়েছে।
একই দিন পৃথকভাবে জাতীয় বেতন কমিশন–২০২৫–এর কাছে ১৭ দফা প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ ডিপ্লোমা ফার্মাসিস্ট অ্যাসোসিয়েশন (বিডিপিএ)। তাদের প্রস্তাবে বলা হয়েছে, বর্তমান ২০টি বেতন গ্রেড কমিয়ে ১২টিতে নামানো, সর্বনিম্ন বেতন ৩৫ হাজার এবং সর্বোচ্চ ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা উচিত।
বিডিপিএ জানিয়েছে, সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ বেতনের অনুপাত ১:৪–এর মধ্যে রাখা প্রয়োজন। প্রয়োজনে সর্বোচ্চ বেতন ১ লাখ ৪০ হাজার টাকারও বেশি নির্ধারণ করতে পারে কমিশন।
এর আগে গত ২৭ জুলাই সরকার জাতীয় বেতন কমিশন গঠন করে। কমিশন আগামী ডিসেম্বরে তাদের চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেবে বলে জানা গেছে।