জাতীয়
ভোটে প্রার্থী হতে পারবেন না পলাতক ব্যক্তিরা
নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, যেসব ব্যক্তি আদালতের নির্দেশে ফেরারি বা পলাতক হিসেবে ঘোষিত হয়েছেন, তারা ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন না। একইভাবে সিটি করপোরেশন ও পৌরসভা মেয়র, উপজেলা, জেলা ও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবং প্রজাতন্ত্র বা সংবিধিবদ্ধ সরকারি প্রতিষ্ঠানের লাভজনক পদে থাকা ব্যক্তিরাও ভোটে প্রার্থী হতে পারবেন না, তবে পদত্যাগ করলে তারা প্রার্থী হতে পারবেন।
নির্বাচন কমিশনের জারি করা পরিপত্র অনুযায়ী, একজন প্রার্থী সর্বোচ্চ তিনটি আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিতে পারবেন। কেউ যদি তিনটির বেশি আসনে মনোনয়নপত্র দেয়, তবে তার সব মনোনয়নপত্র বাতিল হবে। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় প্রার্থী বা তার প্রস্তাবক/সমর্থককে রিটার্নিং বা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে সশরীরে উপস্থিত হতে হবে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি। মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন ২৯ ডিসেম্বর, এবং যাচাই-বাছাই কার্যক্রম চলবে ৩০ ডিসেম্বর থেকে ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত।
পরিপত্রে প্রার্থীতার যোগ্যতা ও অযোগ্যতার বিষয়েও বিস্তারিত উল্লেখ রয়েছে। সংবিধানের ৬৬(১) ও ৬৬(২) অনুচ্ছেদ এবং আরপিওর ১২(১) ধারা অনুযায়ী, একজন প্রার্থী বাংলাদেশের নাগরিক এবং বয়স ২৫ বছর পূর্ণ হলে প্রার্থী হতে পারবেন। তবে আদালত কর্তৃক ফেরারি বা পলাতক ঘোষিত, দেউলিয়া ঘোষণা বা দায়মুক্তি ছাড়া দণ্ডপ্রাপ্ত, বিদেশি নাগরিকত্ব গ্রহণকারী বা নৈতিক/ফৌজদারি অপরাধে দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তি, সরকারি চাকরি থেকে সাময়িক বা স্থায়ীভাবে অপসারিত বা দুর্নীতির কারণে বরখাস্ত ব্যক্তিরা প্রার্থী হতে অযোগ্য।
এছাড়া ১৯৭২ সালের বাংলাদেশ যোগসাজশকারী (বিশেষ ট্রাইব্যুনাল) আদেশের অধীনে দণ্ডিত ব্যক্তি, সরকারি কর্মকর্তাদের তিন বছরের ভাতার মধ্যে এবং ঋণখেলাপি বা সরকারি বিল খেলাপিরাও নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন না।