শিক্ষা

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের জরুরি নির্দেশনা


ঢাকাপ্রকাশ ডেস্ক
প্রকাশ: ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:২৬ পিএম

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের জরুরি নির্দেশনা
ছবি: সংগৃহীত

শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের পাশাপাশি সার্বিক দক্ষতা বৃদ্ধিতে সারা বছর খেলাধুলা, সহপাঠ্যক্রমিক ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশ দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর।

বৃহস্পতিবার ১১ সেপ্টেম্বর মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের শারীরিক শিক্ষা শাখার উপপরিচালক অধ্যাপক মো. শহিদুল ইসলামের স্বাক্ষরিত এক পরিপত্রে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। পরিপত্রটি দেশের সব আঞ্চলিক পরিচালক, মাধ্যমিক শাখার উপপরিচালক ও জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হয়েছে।

পরিপত্রে বলা হয়েছে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে খেলাধুলা, সহপাঠ্যক্রমিক ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রমকে গুরুত্ব দিতে হবে। এসব কার্যক্রম একাডেমিক শিক্ষার সঙ্গে সমন্বয় করে সারা বছর পরিচালনা করতে হবে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের নিয়মিত অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

নির্দেশনায় মোট ৩৫টি কার্যক্রমের তালিকা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ১৫টি ক্রীড়া কার্যক্রম রয়েছে। এগুলো হলো ফুটবল, ভলিবল, দাবা, ক্রিকেট, টেবিল টেনিস, কাবাডি, ব্যাডমিন্টন, হ্যান্ডবল, বাস্কেটবল, হকি, গ্রামীণ ও ঐতিহ্যবাহী খেলা, সাঁতার, অ্যাথলেটিকস, তায়কোয়ান্দো ও মার্শাল আর্ট।

সহপাঠ্যক্রমিক কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে হামদ ও নাত, বাংলা ও ইংরেজি বক্তৃতা ও বিতর্ক, উপস্থিত বক্তৃতা, দেয়ালিকা তৈরি, বই পড়া, দৈনিক পত্রিকা পাঠ, সৃজনশীল লেখা, পরিবেশ সুরক্ষা, ডিজিটাল বিষয়বস্তু তৈরি, মানসিক স্বাস্থ্য সচেতনতা, গণিত অলিম্পিয়াড এবং ‘এক শিশু এক গাছ’ কর্মসূচি।

এ ছাড়া সাংস্কৃতিক কার্যক্রমের আওতায় রাখা হয়েছে সংগীত, আবৃত্তি, একক অভিনয়, কুইজ, নৃত্য, দেয়ালচিত্র অঙ্কন, উৎসব ও ঐতিহ্যবিষয়ক অনুষ্ঠান এবং চিত্রাঙ্কন।

পরিপত্রে আরও বলা হয়েছে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের একাডেমিক কার্যক্রমের সঙ্গে সমন্বয় করে সুবিধাজনক সময়ে সারা বছর এসব কার্যক্রম চালাতে হবে। একই সঙ্গে প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বয়েজ স্কাউট, রোভার স্কাউট, গার্ল গাইডস, বিজ্ঞান ক্লাব, বিতর্ক ক্লাব, স্বাস্থ্য ও শারীরিক শিক্ষা ক্লাবসহ বিভিন্ন সংগঠন ও ক্লাব পরিচালনায় যথাযথ গুরুত্ব দিতে হবে।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর জানিয়েছে, একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি খেলাধুলা, সহপাঠ্যক্রমিক ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রমে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ তাদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।