শিক্ষা

এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষার সময় নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত


ঢাকাপ্রকাশ ডেস্ক
প্রকাশ: ৩১ আগস্ট ২০২৬, ১১:৪৩ পিএম

এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষার সময় নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত
ছবি: সংগৃহীত

২০২৭ সালের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার সময়সূচি নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা রমজানের পর ১৪ মার্চ থেকে শুরু হবে। তবে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার পূর্বঘোষিত সূচিতে কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি। এ পরীক্ষা শুরু হবে ৬ জুন থেকে।

সোমবার (৩১ আগস্ট) সচিবালয়ে চীন সফর-পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন এ তথ্য জানান।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, রমজান, ঈদুল ফিতর, শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতি এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মতামত বিবেচনা করেই এসএসসি পরীক্ষার সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। আগে জানুয়ারিতে পরীক্ষা নেওয়ার পরিকল্পনা থাকলেও রমজানের কারণে তা পরিবর্তন করা হয়েছে।

তিনি বলেন, সাধারণত ফেব্রুয়ারি মাসকে এসএসসি পরীক্ষার জন্য উপযুক্ত সময় হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তবে এবার রমজানের কারণে ওই সময়ে পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। রমজানের আগে পরীক্ষা নিলে শিক্ষার্থীরা পড়াশোনা ও পাঠ্যবিষয় পুনরালোচনার জন্য পর্যাপ্ত সময় পাবে না। তাই সবদিক বিবেচনায় রমজানের পর পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

নতুন সূচি অনুযায়ী, ২০২৭ সালের এসএসসি ও সমমানের তত্ত্বীয় পরীক্ষা ১৪ মার্চ শুরু হয়ে ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত চলবে। এরপর ২২ এপ্রিলের মধ্যে ব্যবহারিক পরীক্ষা শেষ করার নির্দেশনা রয়েছে।

অন্যদিকে, ২০২৭ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা পূর্বঘোষিত সূচি অনুযায়ী ৬ জুন থেকে শুরু হবে। আপাতত এই পরীক্ষার সময়সূচিতে কোনো পরিবর্তন আনা হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী।

শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতির জন্য পর্যাপ্ত সময় দেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, প্রায় দেড় বছর আগেই পরীক্ষার সময় সম্পর্কে জানানো হয়েছে। জাতীয় পর্যায়ে কোনো বিশেষ পরিস্থিতি তৈরি না হলে এসএসসি পরীক্ষা আরও পেছানোর কারণ নেই।

সংবাদ সম্মেলনে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার উন্নয়ন নিয়েও কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী। তিনি জানান, এ খাতের দুর্বলতাগুলো চিহ্নিত করে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি প্রয়োজনীয় সংখ্যক শিক্ষক নিয়োগের বিষয়েও কাজ চলছে।

প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন বলেন, কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষায় চীনের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা রয়েছে। দেশটির সফল অভিজ্ঞতা বাংলাদেশে কাজে লাগানোর লক্ষ্যেই সাম্প্রতিক চীন সফর করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, কারিগরি শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের লক্ষ্যে চীনের সঙ্গে একটি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে। দেশে শিক্ষার তৃতীয় ভাষা হিসেবে ম্যান্ডারিন বা চীনা ভাষাকে গুরুত্ব দেওয়ার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।

মাহদী আমিন বলেন, বাংলাদেশে অনেক চীনা কোম্পানি কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এসব প্রতিষ্ঠানে দক্ষ জনবল সরবরাহের লক্ষ্যেই কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষাকে বিশ্বমানের করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।