জাতীয়
ক্ষুদে বিজ্ঞানীদের হাতে পুরস্কার তুলে দিলেন ডা. জুবাইদা রহমান
তরুণ শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞানমনস্কতা, উদ্ভাবনী চিন্তা ও উদ্যোক্তা দক্ষতা বিকাশে আয়োজিত ‘স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট অ্যান্ড ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং’ প্রতিযোগিতায় বিজয়ী ক্ষুদে বিজ্ঞানীদের হাতে পুরস্কার তুলে দিয়েছেন ডা. জুবাইদা রহমান।
আজ রবিবার (১৪ জুন) রাজধানীর বিএএফ শাহীন কলেজে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তিনি। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় ঢাকা জেলা প্রশাসন এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করে।
জেলা পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জন করে বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ পাবলিক কলেজের দল। দ্বিতীয় স্থান লাভ করে রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ এবং তৃতীয় স্থান অর্জন করে হলিক্রস উচ্চ বিদ্যালয়ের দল।
জানা যায়, প্রতিটি দলে তিনজন শিক্ষার্থী ও দুইজন শিক্ষকসহ মোট পাঁচজন সদস্য ছিলেন। জেলা পর্যায়ের এ আয়োজনে মোট ১৮৫ জন প্রতিযোগী অংশগ্রহণ করেন।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, বিগত বছরগুলোর নানা সীমাবদ্ধতা ও অবহেলা সত্ত্বেও শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা তাদের মেধা, অধ্যবসায় ও নিষ্ঠার মাধ্যমে সাফল্যের ধারা অব্যাহত রেখেছেন। প্রতিকূল পরিবেশও তাদের অগ্রযাত্রাকে থামাতে পারেনি।
তিনি বলেন, একটি সফল বৈজ্ঞানিক প্রকল্প বা উদ্ভাবন কখনো রাতারাতি তৈরি হয় না। এর পেছনে থাকে দীর্ঘ গবেষণা, কঠোর পরিশ্রম, সৃজনশীল চিন্তা ও ধৈর্য। আজকের প্রদর্শিত প্রকল্পগুলো শিক্ষার্থীদের সেই শ্রম ও মেধারই প্রতিফলন।
শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে তিনি আরও বলেন, কেবল পাঠ্যবইনির্ভর শিক্ষা যথেষ্ট নয়। শিক্ষাকে হতে হবে আনন্দময়, সৃজনশীল ও জীবনঘনিষ্ঠ, যাতে শিক্ষার্থীরা মানবিক, দায়িত্বশীল ও দেশপ্রেমিক নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে পারে।
অনুষ্ঠানে ঢাকার জেলা প্রশাসক মিজ ফরিদা খানম বলেন, তরুণদের উদ্ভাবনী চিন্তা, গবেষণামনস্কতা ও প্রযুক্তিনির্ভর উদ্যোগই আগামী দিনের বাংলাদেশকে আরও সমৃদ্ধ ও প্রতিযোগিতামূলক রাষ্ট্রে পরিণত করবে। নতুন স্টার্টআপ ও উদ্ভাবনী উদ্যোগ কর্মসংস্থান সৃষ্টির পাশাপাশি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
তিনি আরও বলেন, স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে তরুণ উদ্ভাবকদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাদের মেধা ও সৃজনশীলতা বিকাশে জেলা প্রশাসন সহায়ক পরিবেশ তৈরিতে কাজ করে যাচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত থাকবে।