জাতীয়

কাঁঠাল দিয়ে হচ্ছে সিঙ্গারা-সমুচা-কাবাব, পুষ্টিগুণও অনেক বেশি: কৃষিমন্ত্রী


ঢাকাপ্রকাশ ডেস্ক
প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২৬, ০৬:২৫ পিএম

কাঁঠাল দিয়ে হচ্ছে সিঙ্গারা-সমুচা-কাবাব, পুষ্টিগুণও অনেক বেশি: কৃষিমন্ত্রী
ছবি: সংগৃহীত

জাতীয় ফল কাঁঠাল দিয়ে এখন সিঙ্গারা, সমুচা ও কাবাবসহ পুষ্টিগুণসমৃদ্ধ বিভিন্ন ধরনের খাদ্যপণ্য তৈরি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। তিনি বলেন, কাঁঠালভিত্তিক এসব পণ্য উৎপাদন ও বিপণন নিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ বাংলাদেশের সঙ্গে আলোচনা করছে এবং স্থানীয় পর্যায়েও এর বাণিজ্যিকীকরণে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকালে রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ প্রাঙ্গণে তিন দিনব্যাপী ‘জাতীয় ফল মেলা-২০২৬’ উদ্বোধনের পর স্টল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী জানান, দেশে ফল উৎপাদনে ব্যাপক অগ্রগতি হয়েছে। একসময় যেসব ফল বিদেশ থেকে আমদানি করতে হতো, বর্তমানে তার অনেকগুলোই দেশে উৎপাদিত হচ্ছে। এর ফলে আমদানিনির্ভরতা কমছে এবং ভবিষ্যতে আরও কমবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, জাতীয় ফল মেলায় দেশীয় ফলের পাশাপাশি এমন অনেক অপ্রচলিত ফল প্রদর্শিত হচ্ছে, যা সাধারণ বাজারে সচরাচর পাওয়া যায় না। বিদেশি ফলের দেশীয় উৎপাদন বৃদ্ধি পাওয়ায় কৃষি খাতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হয়েছে।

ড্রাগন ফলের প্রসঙ্গ টেনে কৃষিমন্ত্রী বলেন, কয়েক বছর আগেও দেশে এ ফল আমদানি করতে হতো। বর্তমানে দেশে উৎপাদিত ড্রাগন ফল রপ্তানির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। বাংলাদেশের আবহাওয়ায় উৎপাদিত এ ফল স্বাদে ও গুণে বিদেশি ফলের তুলনায় উন্নত বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা এখন ফল প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পে যুক্ত হচ্ছেন। ইতোমধ্যে আম, আনারস ও কাঁঠাল রপ্তানি শুরু হয়েছে এবং চলতি বছর কাঁঠাল রপ্তানি আরও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। কাঁঠাল রপ্তানি সম্প্রসারণে চীনের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে বলেও জানান তিনি।

প্রস্তাবিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে কৃষি খাতে বরাদ্দ কমানোর সমালোচনার জবাবে তিনি বলেন, বরাদ্দ কমেনি; বরং আগের বছরের তুলনায় ১০ শতাংশের বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। এর পাশাপাশি প্রণোদনা ও উন্নয়ন বাজেটও অব্যাহত রয়েছে।