জাতীয়

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস পালন উপলক্ষ্যে সরকারের বিভিন্ন কর্মসূচি


ঢাকাপ্রকাশ ডেস্ক
প্রকাশ: ০৪ আগস্ট ২০২৬, ০৯:৫৩ পিএম

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস পালন উপলক্ষ্যে সরকারের বিভিন্ন কর্মসূচি
ছবি: সংগৃহীত

৫ আগস্ট ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস ২০২৬’ যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের লক্ষ্যে জাতীয় পর্যায়ে ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে সরকার। দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী পৃথক বাণী প্রদান করবেন এবং দেশের ৬৪ জেলায় জুলাই শহীদদের স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হবে।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সরকারি তথ্যবিবরণীতে এসব তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, দিবসটি উপলক্ষে জাতীয় দৈনিকগুলোতে বিশেষ নিবন্ধ, সাহিত্য ও ক্রোড়পত্র প্রকাশ করা হবে। এ সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায়।

কর্মসূচির অংশ হিসেবে ৫ আগস্ট সকাল ৯টায় জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই দিন বেলা ১১টায় ঢাকার বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে জুলাই শহীদ পরিবার ও যোদ্ধাদের সংবর্ধনা এবং দিবসের তাৎপর্য নিয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। এতে রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন।

এছাড়া, ৩০ জুলাই তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে তথ্য ভবনে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানভিত্তিক প্রকাশনার মোড়ক উন্মোচন, আলোকচিত্র প্রদর্শনী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর প্রধান অতিথি এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন সভাপতিত্ব করেন। একই ধরনের কর্মসূচি দেশের সব জেলাতেও আয়োজন করা হবে।

ঢাকাসহ সব সিটি করপোরেশনের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে জুলাই আন্দোলনের দুর্লভ আলোকচিত্র ও প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হবে। পাশাপাশি বাংলাদেশ টেলিভিশন, বাংলাদেশ বেতারসহ বিভিন্ন বেসরকারি টিভি ও রেডিও চ্যানেলে বিশেষ অনুষ্ঠান ও আলোচনা প্রচার করা হবে।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে আলোচনা সভা, রচনা, আবৃত্তি ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হবে। বিদেশে বাংলাদেশ দূতাবাসগুলোতেও একইভাবে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।

ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোতে বিশেষ মোনাজাত ও প্রার্থনার আয়োজন করা হবে। রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন শহরের প্রধান সড়ক ও সড়কদ্বীপ জাতীয় পতাকা, ব্যানার ও ফেস্টুনে সজ্জিত করা হবে এবং স্মৃতিস্তম্ভগুলোতে আলোকসজ্জা করা হবে। দিবসটি উপলক্ষে স্মারক ডাকটিকিট প্রকাশের উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।

এদিন সরকারি ও বেসরকারি জাদুঘরগুলো সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত বিনা টিকিটে সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে। পাশাপাশি শিশুদের জন্য বিনোদনকেন্দ্রগুলোতেও বিশেষ ব্যবস্থায় বিনামূল্যে প্রবেশের সুযোগ রাখা হবে।

এছাড়া দিবসটি উপলক্ষে দেশের সরকারি হাসপাতাল, কারাগার, শিশু পরিবার, পুনর্বাসন কেন্দ্র ও অন্যান্য সমাজসেবামূলক প্রতিষ্ঠানে প্রীতিভোজের আয়োজন করা হবে।