জাতীয়

শিশুদের শৈশব নিরাপদ ও ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত হতে হবে: জুবাইদা রহমান


ঢাকাপ্রকাশ ডেস্ক
প্রকাশ: ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ১১:২৭ পিএম

শিশুদের শৈশব নিরাপদ ও ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত হতে হবে: জুবাইদা রহমান
ছবি: সংগৃহীত

জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস চেয়ারম্যান ডা. জুবাইদা রহমান বলেছেন, প্রতিটি শিশুর শৈশব নিরাপদ ও সুরক্ষিত হওয়া প্রয়োজন। তাদের ভবিষ্যৎও হতে হবে নিরাপদ। তাহলেই শিশুরা নতুন উদ্যমে নিজেদের স্বপ্ন ও আকাঙ্ক্ষা পূরণে সফল হতে পারবে।

তিনি বলেন, প্রত্যেক শিশুর মধ্যেই অপার সম্ভাবনা ও প্রতিভা লুকিয়ে রয়েছে। সেই প্রতিভার বিকাশে শিশুদের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ ও প্রয়োজনীয় সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে।

শিশু অধিকার দিবস ২০২৬ ও বাংলাদেশ শিশু একাডেমির ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে এসব কথা বলেন ডা. জুবাইদা রহমান।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মহিলা, শিশু ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বাংলাদেশ শিশু একাডেমির সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে প্রতিষ্ঠানটির সব কর্মকর্তা, কর্মচারী এবং শিশু কিশোরদের আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানান ডা. জুবাইদা রহমান।

তিনি বলেন, ৫০ বছর আগে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশ শিশু একাডেমি প্রতিষ্ঠা করেন। শিশুদের সম্ভাবনা ও ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে প্রতিষ্ঠার পর থেকে নানা বাধা বিপত্তি সত্ত্বেও প্রতিষ্ঠানটি পাঁচ দশক ধরে কাজ করে যাচ্ছে।

ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, শিশু একাডেমির আঙিনায় ছবি আঁকা, সংগীত, নৃত্য, আবৃত্তি ও সাহিত্যচর্চার মাধ্যমে অসংখ্য শিশু কিশোরের প্রতিভা বিকশিত হয়েছে। শিশুদের সৃজনশীলতা ও মেধা বিকাশে প্রতিষ্ঠানটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।

শিশুদের অধিকার ও শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অবদানের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তিনি বাধ্যতামূলক ও অবৈতনিক প্রাথমিক শিক্ষা এবং মেয়েদের অবৈতনিক শিক্ষা ব্যবস্থা সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ নিয়েছিলেন।

তিনি বলেন, শিশু একাডেমির সুবর্ণজয়ন্তীর এই শুভক্ষণে নতুন উদ্যোগ ও আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশ শিশু একাডেমিকে দেশের প্রতিটি প্রান্তের সব শিশুর কাছে পৌঁছে দিতে হবে। আগামী দিনেও শিশু একাডেমি শিশুদের স্বপ্ন ও প্রতিভা বিকাশের একটি নির্ভরযোগ্য ঠিকানা হয়ে থাকবে।

শিশু কিশোরদের উদ্দেশে ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, স্নেহের ছোট্ট বন্ধুরা, সব বাধা বিপত্তি পেরিয়ে তোমরা প্রস্ফুটিত হবে। আশা ও আকাঙ্ক্ষা পূরণের আলোকরশ্মি তোমরা দুহাতে বরণ করবে।

প্রত্যেক শিশুর মধ্যেই অপার সম্ভাবনা রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সেই প্রতিভা প্রকাশের সুযোগ দিতে হবে। নতুন উদ্যম ও নতুন উদ্যোগে শিশুরা ইনশাআল্লাহ সফল হবে।

তিনি বলেন, প্রতিটি শৈশব নিরাপদ হোক, প্রতিটি শিশুর ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত হোক, এটাই আমাদের কামনা।

এর আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও ডা. জুবাইদা রহমান বাংলাদেশ শিশু একাডেমিতে পৌঁছালে ১৫০ শিশু তাদের স্বাগত জানায়। জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়।

আলোচনা সভা শেষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান শিশুদের পরিবেশনায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করেন। পরে তারা শিশুদের আঁকা ছবি নিয়ে আয়োজিত প্রদর্শনী ও আলোকচিত্র গ্যালারি পরিদর্শন করেন।