রাজনীতি

দীর্ঘ ২২ বছর পর আজ ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন তারেক রহমান


ঢাকাপ্রকাশ ডেস্ক
প্রকাশ: ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৮:৩৮ এএম

দীর্ঘ ২২ বছর পর আজ ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন তারেক রহমান
ছবিঃ সংগৃহিত

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান নির্বাচনি প্রচারণার অংশ হিসেবে আজ ঠাকুরগাঁও সফরে যাচ্ছেন।  

শনিবার (৭ জানুয়ারি) সরকারি বালক উচ্চবিদ্যালয়ের বড় মাঠে আয়োজিত জনসভায় বক্তব্য দেবেন। দীর্ঘ ২২ বছর পর তার আগমনকে ঘিরে জেলাজুড়ে ব্যাপক প্রস্তুতি ও উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যাচ্ছে।
 

দলীয় সূত্র জানায়, ২০০৩ সালের ৮ ডিসেম্বর সর্বশেষ ঠাকুরগাঁও সফর করেছিলেন তারেক রহমান। সেই দীর্ঘ বিরতির পর এবার তাকে ঘিরে দলের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। শুক্রবার সকাল থেকেই জনসভাস্থলে মঞ্চ নির্মাণসহ সার্বিক আয়োজন শুরু হয়। পাশাপাশি নেতাকর্মী ও সমর্থকদের জনসভায় উপস্থিত থাকতে প্রচারণাও চালানো হচ্ছে।

বিএনপির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শনিবার সকাল ১০টায় তিনি ঢাকা থেকে বিমানে করে সৈয়দপুরের উদ্দেশে রওনা হবেন। বেলা ১১টায় সেখান থেকে হেলিকপ্টারে ঠাকুরগাঁওয়ে পৌঁছাবেন। বেলা সাড়ে ১১টায় সরকারি বালক উচ্চবিদ্যালয়ের বড় মাঠের জনসভায় যোগ দেবেন এবং দুপুর একটার দিকে নীলফামারীর উদ্দেশে রওনা হবেন।

জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সল আমিন শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে জনসভাস্থলে এসে প্রস্তুতি পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি বলেন, দীর্ঘ ২২ বছর পর বিএনপির চেয়ারম্যান ঠাকুরগাঁওয়ে আসছেন- এই খবরে ভোটার ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। তার মতে, এই জনসভা ঠাকুরগাঁওয়ের পিছিয়ে থাকা উন্নয়নের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হয়ে উঠতে পারে।

তিনি আরও জানান, তারেক রহমানের সফরকে কেন্দ্র করে জেলার প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে এবং নেতা-কর্মীরা নিজ নিজ এলাকায় সক্রিয়ভাবে প্রচার চালাচ্ছেন। শনিবার শহরটি জনসমুদ্রে পরিণত হবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি। জনসভায় ঠাকুরগাঁওয়ের তিনটি নির্বাচনি আসনের পাশাপাশি পঞ্চগড় ও দিনাজপুরের একটি করে আসনের প্রার্থীরা উপস্থিত থাকবেন এবং তাদের সঙ্গে বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী যোগ দেবেন।

জেলা বিএনপির সভাপতি আরও বলেন, এই সফরে ঠাকুরগাঁওয়ের উন্নয়ন নিয়ে তারেক রহমানের কাছে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি তুলে ধরা হবে।  দাবিগুলো হচ্ছে ঠাকুরগাঁওয়ে ইপিজেড প্রতিষ্ঠা, বন্ধ বিমানবন্দর চালু করা, মেডিক্যাল কলেজ ও পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন, কৃষিভিত্তিক প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প গড়ে তোলা, দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির জন্য প্রযুক্তিকেন্দ্র স্থাপন এবং কর্মসংস্থান বাড়াতে কলকারখানা স্থাপন।