সারাদেশ

‘জামায়াত-শিবিরকে যারা নিষিদ্ধ করেছিল  তাদেরকে দেশের মানুষ নিষিদ্ধ করে দিয়েছে’


নিজস্ব প্রতিনিধি
প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ০৯:৫৫ পিএম

‘জামায়াত-শিবিরকে যারা নিষিদ্ধ করেছিল  তাদেরকে দেশের মানুষ নিষিদ্ধ করে দিয়েছে’
মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান। ছবি: ঢাকাপ্রকাশ

জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় হুইপ মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান এমপি বলেছেন, বাংলাদেশের রাজনীতিতে জামায়াতে ইসলামী ও জামায়াতে ইসলামী ছাত্রশিবির এক অপ্রতিরুদ্ধ সম্ভাবনাময় শক্তির নাম। ২০২৪ সালে যারা জামায়াত-শিবিরকে নিষিদ্ধ করেছিল, তারা মাত্র ৪ দিনের ব্যবধানে বাংলাদেশের মানুষ তাদেরকেই নিষিদ্ধ করে দিয়েছে। 

শনিবার (১৩ জুন) সন্ধ্যায় ছাত্র শিবিরের সাবেক জনশক্তিদের (নেতা-কর্মী) নিয়ে টাঙ্গাইলে জেলা জামায়াতের উদ্যোগে ও জেলা শিল্পকালা একাডেমিতে আয়োজিত ঈদ পুনর্মিলনী ও ইসলামি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, আমরা হাজারো জুলুম নির্যাতনের মধ্যে থেকেও কখনো দেশ ছাড়িনি। কিন্তু তারা দেশেও থাকতে পারে নাই। পদত্যাগ করে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে। এখন যারা ক্ষমতায় আছে, তারাও একই লাইন ধরার চিন্তা করতেছে। সম্প্রতি গত জাতীয় নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীকে মিডিয়া, প্রশাসন, বিদেশি শক্তিসহ ছয়টি অপশক্তির বিরুদ্ধে লড়াই করতে হয়েছে।

বিরোধী দলীয় হুইপ মাওলানা রফিকুল ইসলাম আরও বলেন, এই সংগঠনের আমির থেকে শুরু করে শীর্ষস্থানীয় ১১জন লোককে নিষ্ঠুরভাবে হত্যা করা হয়েছে। কাউকে ফাঁসি দিয়ে হত্যা করা হয়েছে, আবার কাউকে জেলখানায় নিষ্ঠুরভাবে হত্যা করা হয়েছে। এই আন্দোলনের অনেক নেতাকর্মীকে ক্রসফায়ার দেয়া হয়েছে। তবুও আল্লাহর রহমতে এই সংগঠন টিকে আছে। 

এ সময় টাঙ্গাইল জেলা জামায়াতে ইসলামী আমীর আহসান হাবীব মাসুদের সভাপতিত্বে জেলা জামায়াতে সেক্রেটারি মাওলানা মো. হুমায়ুন কবীরের সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য রাখেন, জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর অধ্যাপক খন্দকার আব্দুর রাজ্জাক ও সহকারী সেক্রেটারি অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম খান, শিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্রকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক মুজাহিদুল ইসলাম, তানযীমুল উম্মাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান হাফেজ হাবীবুল্লাহ মুহাম্মদ ইকবাল, ঢাকা হাতিরঝিল থানা শাখার সেক্রেটারি, টাঙ্গাইল জেলা ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি খন্দকার রুহুল আমিন এবং শিবিরের জেলা সভাপতি এহসানুল মাহবুব জুবায়ের প্রমুখ।