পরিবেশ-জলবায়ু
২৬০ কিলোমিটার বেগে ধেয়ে আসছে শক্তিশালী হ্যারিকেন (ভিডিও)
দ্রুত সময়ের মধ্যে মহাশক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিয়েছে হ্যারিকেন অ্যারিন। এর স্থায়ী বাতাসের গতি ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ২৬০ কিলোমিটার এবং আরও শক্তি সঞ্চয় করার আশঙ্কাও রয়েছে।
শক্তিশালী এই ঝড় যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় পুরো পূর্ব উপকূলে প্রাণঘাতী ঢেউ ও রিপ কারেন্ট সৃষ্টি করবে। এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।
যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল হ্যারিকেন সেন্টারের পরিচালক মাইক ব্রেনান এক ব্রিফিংয়ে জানান, ঝড়টি রাতারাতি “অত্যন্ত শক্তিশালী” হয়ে উঠেছে এবং “বিস্ফোরকভাবে গভীর ও তীব্র” আকার নিয়েছে। অবশ্য গত শুক্রবার পর্যন্ত এটি ট্রপিক্যাল স্টর্মই ছিল।
বিবিসি বলছে, অ্যারিন বর্তমানে ক্যারিবীয় সাগরে অবস্থান করছে। এই সপ্তাহান্তে এটি লিওয়ার্ড দ্বীপপুঞ্জ, ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ ও পুয়ের্তো রিকোর উত্তর দিক দিয়ে অতিক্রম করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এতে সর্বোচ্চ ৬ ইঞ্চি বৃষ্টি হতে পারে, যা আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসের ঝুঁকি বাড়াবে।
এছাড়া এই ঘূর্ণিঝড়টি ২০২৫ সালের আটলান্টিক মৌসুমের প্রথম হ্যারিকেন। আপাতত যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ডে আঘাত হানার পূর্বাভাস নেই।
সংবাদমাধ্যমটি বলছে, হ্যারিকেন অ্যারিন দ্রুত শক্তি অর্জন করেছে। মাত্র ২৪ ঘণ্টায় বাতাসের গতি অন্তত ৩৪ মাইল বেড়েছে। শনিবার ভোরে ঘণ্টায় ১০০ মাইল বাতাস থেকে তা বেড়ে ১৬০ মাইল বা ২৬০ কিলোমিটার হয়েছে বলে জানান ব্রেনান।
মার্কিন জাতীয় মহাসাগর ও বায়ুমণ্ডল প্রশাসন এ বছর আটলান্টিকে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি সংখ্যক হ্যারিকেনের পূর্বাভাস দিয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ক্যাটাগরি-৪ ও ক্যাটাগরি-৫ মাত্রার শক্তিশালী ঝড়ের সংখ্যা বাড়ছে বলেও উল্লেখ করেছে সংস্থাটি।