ফিচার
কিডনি রোগে আক্রান্ত মেধাবী সুমনের জীবনের জন্য যুদ্ধ (ভিডিও)
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের মেধাবী শিক্ষার্থী সুমন আহমেদ। যার এক মাস আগেও চোখে ছিল নতুন জীবনের স্বপ্ন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তনে গাউন-টুপি পরে বন্ধুদের সঙ্গে হাসি-আড্ডায় মাতিয়ে রেখেছিলেন চারপাশ। ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা, ক্যারিয়ারের চিন্তা আর একচিলতে সুখের স্বপ্নে ভরপুর ছিল এই তরুণের জীবন। কিন্তু নিয়তির নির্মম পরিহাস—আজ সেই স্বপ্নগুলো যেন ধূসর, আর সুস্থতাই হয়ে উঠেছে তার একমাত্র প্রার্থনা।
সুমনের জন্ম ও বেড়ে ওঠা ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার এক মধ্যবিত্ত কৃষক পরিবারে। দুই ভাই ও এক বোনের মধ্যে সুমন সবার ছোট।
সুমনের স্বপ্ন ছিল পড়াশোনা শেষ করে একটি ভালো চাকরি। পরিবারের হাল ধরা, আর অভাব-অনটনের দিনগুলোকে বিদায় জানানো। কিন্তু নিয়তির নির্মম পরিহাস—আজ সেই সুমনই জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে। আর তার পরিবার অসহায় হয়ে প্রিয় সন্তানের চিকিৎসার খরচ যোগাতে হিমশিম খাচ্ছে, চোখের সামনে দিন কাটছে চরম উদ্বেগ আর বেদনায়।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ‘চ্যান্সেলর গোল্ড মেডেল এওয়ার্ড’-প্রাপ্ত শিক্ষার্থী সুমন ডিপার্টমেন্টেও ছিলেন দ্বিতীয়। যদিও বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে টিউশনি আর সরকারি বৃত্তির টাকা দিয়ে নিজের খরচ বহন করতেন সুমন।
জীবন যুদ্ধে সবসময় হাসিমুখে বিজয়ী হতে চেয়েছেন। কোথাও পিছিয়ে গেলেও হার মানেননি সহজে। তাই এই জীবন যুদ্ধেও সুমন পরাজিত হতে চান না।
চিকিৎসকরা বলেছেন, তার একটি কিডনি স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি ছোট হয়ে গেছে। আরেকটি কিডনিও যেভাবে সমর্থন দেওয়ার কথা, সেই হারে সাড়া দিচ্ছে না। খাবারও নিচ্ছেন সীমিত পরিমাণে। গত এক মাসে ওজন কমেছে প্রায় ২০ কেজি।
সুমন বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (পিজি হাসপাতাল) চিকিৎসাধীন ছিলেন তবে সেখানে কিডনির বায়োপসি করানো সম্ভব হয়নি। তাই, যত দ্রুত সম্ভব উন্নত চিকিৎসার জন্য দেশের বাইরে নেওয়া প্রয়োজন সুমনকে। যার জন্য বিপুল চিকিৎসা ব্যয় মেটানো তার পরিবারের পক্ষে সম্ভব নয়।
আপনার একটু সহযোগিতা হতে পারে তার জীবনের শেষ আশ্রয়স্থল। সুমন আহমেদ ফিরে পাক তার স্বপ্ন, তার হাসি। আপনার সাহায্যেই তা সম্ভব। সহযোগিতা করতে যোগাযোগ করতে পারেন ০১৬২৬৯৯৩১৩৬ (সুমন আহমেদ) এই নম্বরে।