জাতীয়
বাসের পর এবার লঞ্চের ভাড়া ৩৬-৪২ শতাংশ বাড়ানোর প্রস্তাব
জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির কারণে বাসের পর এবার লঞ্চ ভাড়া ৩৬-৪২ শতাংশ বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে যাত্রী পরিবহন সংস্থা। যাত্রী প্রতি সর্বনিম্ন ভাড়া ২৯ টাকার স্থলে ৩৫ টাকা নির্ধারণ করার অনুরোধও করা হয়েছে।
জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির কারণে অভ্যন্তরীণ নৌপথে যাত্রীবাহী লঞ্চের ভাড়া বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-চলাচল যাত্রী পরিবহন সংস্থা (যাপ)। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহণ কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে যাত্রী পরিবহন সংস্থার পক্ষ থেকে লঞ্চের ভাড়া ৩৬ থেকে ৪২ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর অনুরোধ করা হয়েছে।
চিঠিতে বলা হয়েছে, অভ্যন্তরীণ নৌপথে যাত্রীবাহী লঞ্চগুলো সম্পূর্ণ ডিজেল দ্বারা পরিচালিত হয়। এরই মধ্যে সরকার জ্বালানি তেলের মূল্য ১০০ টাকার স্থলে লিটার প্রতি ১৫ টাকা বৃদ্ধি ১১৫ টাকা নির্ধারণ করেন। ইতিমধ্যে লঞ্চে ব্যবহৃত প্লেট, এঙ্গেল, প্রফেলার, ইঞ্জিনের খুচরা যন্ত্রাংশ, ওয়েল্ডিং রড, গ্যাস, রং ও স্পেয়ার পার্সসহ লঞ্চের পরিচালন ব্যয় ৫০% বৃদ্ধি পেয়েছে।
এমন পরিস্থিতিতে সরকার জ্বালানি তেলের (ডিজেল) মূল্য লিটার প্রতি ১৫ টাকা বৃদ্ধি করায় লঞ্চের বর্তমান যাত্রীভাড়া ১০০ কিলোমিটার পর্যন্ত দূরত্বের জন্য প্রতি কিলোমিটার ২.৭৭ টাকার স্থলে ১ টাকা বৃদ্ধি করে ৩.৭৭ টাকা (৩৬%) এবং ১০০ কিলোমিটারের উর্দ্ধে প্রতি কিলোমিটার দূরত্বের জন্য বর্তমান ২.৩৮ টাকার স্থলে ১ টাকা বৃদ্ধি করে ৩.৩৮ টাকা (৪২%) এবং যাত্রী প্রতি সর্বনিম্ন ভাড়া ২৯ টাকার স্থলে ৩৫ টাকা নির্ধারণ করার অনুরোধ করা হচ্ছে।