জাতীয়
প্রধানমন্ত্রীর টঙ্গী সফর ঘিরে কড়া নিরাপত্তা, ড্রোন উড়ানো ও নতুন ভাড়াটিয়া প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের টঙ্গী সফর উপলক্ষে গাজীপুর মহানগর এলাকায় বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে প্রশাসন। এ সময় নির্দিষ্ট কয়েকটি এলাকায় নতুন ভাড়াটিয়া প্রবেশ, ড্রোন উড়ানো এবং বিস্ফোরক দ্রব্য বহনে সাময়িক নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।
গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের জারি করা গণবিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, মহানগরী আইন ২০১৮-এর ২৯ ও ৩১ ধারার ক্ষমতাবলে পুলিশ কমিশনার এই নির্দেশনা দিয়েছেন।
নির্দেশনা অনুযায়ী, মঙ্গলবার (১৯ মে) রাত ১২টা থেকে বুধবার (২০ মে) রাত ৮টা পর্যন্ত টঙ্গী পশ্চিম থানার সাতাইশ, ধরপাড়া, রাজনগর, সিঁদুরিয়া, গাজীপুরা, লক্ষ্মীপুরা ও মাঝিপাড়া এলাকা এবং গাছা থানার চতুরা, গাছা, কুনিয়া ও নিশাত হাউজিংসহ আশপাশের এলাকায় নতুন কোনো ব্যক্তি স্থায়ী বাসিন্দা বা ভাড়াটিয়া হিসেবে উঠতে পারবেন না।
একই সঙ্গে এসব এলাকায় অস্ত্র, বিস্ফোরক কিংবা এ ধরনের ঝুঁকিপূর্ণ দ্রব্য বহনেও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। এছাড়া ড্রোনসহ বিভিন্ন ইলেকট্রনিক উড়ন্ত ডিভাইস আকাশে ওড়ানো থেকেও বিরত থাকার নির্দেশ দিয়েছে প্রশাসন।
গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। নির্দেশ অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ারও সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে।
এদিকে অনুষ্ঠানস্থল ও আশপাশের এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। পাশাপাশি গোটা পরিস্থিতি নজরদারিতে রাখা হয়েছে।
উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বুধবার (২০ মে) টঙ্গী যাবেন। তিনি টঙ্গীর সাতাইশ ধরপাড়ায় জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী এম ইকবাল হোসেইন এবং সভাপতিত্ব করবেন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আসাদ হাবিব দুলু।
অনুষ্ঠানসূচি অনুযায়ী, দুপুর ১টা ৩০ মিনিটে আমন্ত্রিত অতিথিদের আসন গ্রহণের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হবে।
পরে দুপুর ২টায় প্রধানমন্ত্রী অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। এ সময় তিনি ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন, দোয়া অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ এবং প্রকল্প-সংশ্লিষ্ট উপস্থাপনা পরিদর্শন করবেন।
এরপর দুপুর ২টা ১৫ মিনিটে সুধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। এতে স্বাগত বক্তব্য, বিশেষ অতিথির বক্তব্য, সভাপতির বক্তব্য এবং প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য থাকবে। অনুষ্ঠান শেষে মোনাজাতের মাধ্যমে সমাপ্তি ঘোষণা করা হবে।