জাতীয়

ইসলামে হানাহানি, বিদ্বেষ কিংবা সামাজিক বৈরিতার স্থান নেই: প্রধানমন্ত্রী 


ঢাকাপ্রকাশ ডেস্ক
প্রকাশ: ২৫ জুন ২০২৬, ০৯:০৭ পিএম

ইসলামে হানাহানি, বিদ্বেষ কিংবা সামাজিক বৈরিতার স্থান নেই: প্রধানমন্ত্রী 
ছবিঃ সংগৃহীত

ইসলামে বিভেদ, হানাহানি, বিদ্বেষ কিংবা সামাজিক বৈরিতার কোনও স্থান নেই বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। 

আগামীকাল শুক্রবার (২৬ জুন) পবিত্র আশুরা উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) দেওয়া এক বাণী প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। বাণীতে তিনি বলেন, ‘পবিত্র আশুরা আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয়, ইসলামের মূল শিক্ষা শান্তি, ন্যায়, সহমর্মিতা ও মানবকল্যাণের ওপর প্রতিষ্ঠিত।’

তারেক রহমান বলেন, হিজরি সনের প্রথম মাস মহররমের ১০ তারিখে পালিত হয় পবিত্র আশুরা। ইসলামের ইতিহাসে এটি এক অনন্য তাৎপর্যপূর্ণ দিন। আশুরার মহান শিক্ষা থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে আসুন আমরা সমাজে সম্প্রীতি, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, সহনশীলতা ও ভ্রাতৃত্ববোধ আরও সুদৃঢ় করি। একটি ন্যায়ভিত্তিক, শান্তিপূর্ণ ও কল্যাণমুখী সমাজ গঠনে নিজেদের আরও নিবেদিত করি।এটি শুধু শোক ও স্মরণে সীমাবদ্ধ নয়; বরং সত্য, ন্যায়, ধৈর্য, ত্যাগ ও নৈতিক দৃঢ়তার চিরন্তন শিক্ষা ধারণ করে। 

তিনি বলেন, কারবালার ঘটনা মানব ইতিহাসের এমন এক অবিস্মরণীয় অধ্যায়, যা যুগে যুগে মানুষকে সত্যের পক্ষে এবং অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান নিতে অনুপ্রাণিত করে আসছে।

মানবিক মর্যাদা, ন্যায়বিচার এবং আদর্শের প্রতি অবিচল থাকার যে শিক্ষা কারবালা আমাদের দিয়েছে, তা আজও সমগ্র মানবজাতির জন্য প্রেরণার উৎস জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজ থেকে প্রায় চৌদ্দশ’ বছর আগে কারবালার প্রান্তরে হজরত ইমাম হোসাইন (রা.) তাঁর পরিবারের সদস্য ও বিশ্বস্ত সঙ্গীদের নিয়ে জুলুম, অন্যায় ও স্বৈরাচারের কাছে মাথা নত না করে শাহাদতের মহান মর্যাদা বরণ করেছিলেন। তাঁর এই আত্মত্যাগ কারবালাকে সত্য ও ন্যায়ের জন্য সংগ্রামের এক অবিনাশী প্রতীকে পরিণত করেছে।

পবিত্র আশুরা উপলক্ষে দেওয়া বাণীতে তারেক রহমান সর্বশ্রেষ্ঠ রসুল হজরত মুহাম্মদ (সা.) এর প্রাণপ্রিয় দৌহিত্র হজরত ইমাম হোসাইন (রা.) এর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এবং একইসঙ্গে কারবালার ঘটনায় শাহাদতবরণকারী তাঁর পরিবারের সদস্য ও সঙ্গীদের পবিত্র স্মৃতির প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানান।

এছাড়াও তিনি এই শোকাবহ দিনে বাংলাদেশসহ বিশ্বের মুসলিম উম্মাহর প্রতিও গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেন।