জাতীয়
নাশকতায় আ. লীগের প্রতিষ্ঠানের অর্থ ব্যবহার হচ্ছে কি না দেখা দরকার: প্রতিমন্ত্রী ইশরাক
ঢাকা ৬ আসনের সংসদ সদস্য ও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন বলেছেন, গণহত্যায় জড়িত আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতার ফাঁসির আদেশের পর একটি মহল দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা করছে। সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তারা রাজনৈতিক অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার অপচেষ্টা চালাচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
সোমবার রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে পরিকল্পিত সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার প্রতিবাদে আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিলের আগে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে এসব কথা বলেন ইশরাক হোসেন।
তিনি বলেন, শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার পর তার নেতাকর্মীদের অনেকেই দেশ ছেড়েছেন। তবে তাদের রেখে যাওয়া বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, পরিবহনসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠান বর্তমানে কারা নিয়ন্ত্রণ করছে, সেসব প্রতিষ্ঠান থেকে অর্জিত অর্থ নাশকতা ও রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডে ব্যবহার করা হচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।
বিরোধী দলের প্রসঙ্গে ইশরাক হোসেন বলেন, যারা ১৯৭১ সালে বাংলাদেশকে অস্বীকার করেছিল, সেই ঘাতক, দালাল ও রাজাকাররা তখন বাংলাদেশ চায়নি। তবে জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে তারা এখন বিরোধী দলের আসনে রয়েছে। তাই তাদের প্রাপ্য সম্মান দিতে চান তারা।
তিনি বলেন, বিরোধী দল লং মার্চের নামে গাড়ি নিয়ে শোভাযাত্রা করছে। কিন্তু তাদের মঞ্চ থেকে ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড নিয়ে কোনো বক্তব্য আসছে না।
ইশরাক হোসেন আরও বলেন, একদিকে বিরোধী দল সরকার পতনের জন্য আন্দোলন করছে বলে দাবি করছে। অন্যদিকে পলাতক শেখ হাসিনা দিল্লিতে বসে নাশকতা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে রাষ্ট্র ও সরকারকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছেন। এ পরিস্থিতিতে তাদের মধ্যে কোনো যোগসাজশ আছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি বলেন, তাদের মধ্যে যোগসাজশ থাকলেও অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না।
সমাবেশে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী, বিএনপির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সালাম, ঢাকা মহানগর বিএনপির সভাপতি রফিকুল আলম মজনু, সদস্য সচিব তানভীর আহমেদ রবিন, বিএনপি নেতা নবী উল্লাহ নবী, রফিকুল ইসলাম রাসেলসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।