রাজনীতি
জামায়াতের জাতীয় সমাবেশ শুরু, নিরাপত্তায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ১৩ হাজার সদস্য
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আয়োজনে রাজধানীর ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে প্রথমবারের মতো জাতীয় সমাবেশ শুরু হয়েছে। শনিবার সকাল ৯টা ৪০ মিনিটে সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মধ্য দিয়ে এই সমাবেশের সূচনা হয়।
অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করছেন সাইফুল্লাহ মানসুর, আর সাইমুম শিল্পীগোষ্ঠী এর পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছে। বিভাগীয় ও নহদনগর পর্যায়ের শিল্পীরাও এতে অংশ নিচ্ছেন।
সমাবেশ ঘিরে রাজধানীমুখী জনস্রোত সৃষ্টি হয়েছে। সকাল থেকেই দলে দলে নেতাকর্মীরা বাস, ট্রেন ও লঞ্চযোগে ঢাকায় এসে মিছিল সহকারে সমাবেশস্থলে প্রবেশ করছেন। সোহরাওয়ার্দী উদ্যান অনেক আগেই নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে পূর্ণ হয়ে যায়। ভিড় উপেক্ষা করে উদ্যানের বাইরেও হাজার হাজার সমর্থক অবস্থান নিচ্ছেন।
অনেক নেতাকর্মীর শরীরে জামায়াতের দলীয় প্রতীক ‘দাঁড়িপাল্লা’ সম্বলিত টি-শার্ট, পাঞ্জাবি দেখা গেছে। হাতে-পাশে বহন করছেন প্রতীকসমৃদ্ধ ব্যানার ও প্ল্যাকার্ড।
নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। ডিএমপির তথ্যমতে, অতিরিক্ত চার হাজার সদস্যসহ মোট ১২ হাজারের বেশি পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। তাদের সঙ্গে রয়েছে র্যাবের আরও কয়েক হাজার সদস্য। পোশাকপরা পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকে গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরাও দায়িত্ব পালন করছেন।
জামায়াতের পক্ষ থেকেও প্রায় ৬ হাজার স্বেচ্ছাসেবক দায়িত্ব পালন করছেন সমাবেশস্থলে বিভিন্ন জায়গায়। নিরাপত্তার স্বার্থে সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণকক্ষ থেকে সার্বক্ষণিক মনিটরিং চলছে।
ডিএমপি জানিয়েছে, নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দলের সম্ভাব্য অস্থিতিশীলতা ঠেকাতে তারা সর্বোচ্চ সতর্ক রয়েছে। যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি প্রতিহত করতে নেওয়া হয়েছে সব ধরনের প্রস্তুতি।
শুক্রবার (১৮ জুলাই) বিকেলে সমাবেশস্থল পরিদর্শনের সময় জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির অধ্যাপক মুজিবুর রহমান বলেন, “এই মহাসমাবেশ কেবল দেশের মানুষের কাছে নয়, আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও বার্তা পৌঁছে দেবে।”