রাজনীতি

নির্বাচনের পরই বিক্ষোভের ঘোষণা ১১ দলীয় জোটের


ঢাকাপ্রকাশ ডেস্ক
প্রকাশ: ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৪:১৮ পিএম

নির্বাচনের পরই বিক্ষোভের ঘোষণা ১১ দলীয় জোটের
ছবি: সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর দেশব্যাপী সহিংসতার অভিযোগ তুলে রাজধানীতে বিক্ষোভ মিছিলের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট।

ঘোষণা অনুযায়ী, সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) বিকাল ৪টায় রাজধানীর বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেট থেকে মিছিল শুরু হবে।

রোববার দুপুরে আগারগাঁওয়ে অবস্থিত নির্বাচন ভবনে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন-এর সঙ্গে বৈঠক শেষে গণমাধ্যমকে এ কর্মসূচির কথা জানান জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও ১১ দলীয় ঐক্যের সমন্বয়কারী হামিদুর রহমান আজাদ।

তিনি বলেন, বিক্ষোভ কর্মসূচির পরও পরিস্থিতির উন্নতি না হলে রাজপথে বৃহত্তর আন্দোলনের দিকে যেতে হতে পারে। তার ভাষ্য, তারা রাজনৈতিক সমাধান সংসদে চান; তবে সরকার আন্তরিক না হলে রাজপথেই সমাধান খুঁজতে বাধ্য হবেন।

এর আগে শনিবার সন্ধ্যায় জোটের লিয়াজোঁ কমিটির বৈঠকে এই কর্মসূচির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। জোটের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে তাদের নেতাকর্মী, বাসাবাড়ি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলার ঘটনা ঘটেছে।

নির্বাচনে জয়ী হয়ে সরকার গঠনের প্রস্তুতি নেওয়া বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-র নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে এসব সহিংসতার অভিযোগ তোলা হয়েছে। জোটের ভাষ্য, ভোটের আগে ও ভোটের রাতেও অন্তত ২১টি সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে।

এদিকে ১১ দলীয় জোট ৩০টি আসনে ভোট জালিয়াতি, কারচুপি ও ফলাফল শিটে অনিয়মের অভিযোগ তুলে পুনঃগণনার দাবি জানিয়েছে। যেসব আসনে আবেদন করা হবে তার মধ্যে রয়েছে—ঢাকা-৭, ঢাকা-৮, ঢাকা-১০, ঢাকা-১৩, ঢাকা-১৭, পঞ্চগড়-১, ঠাকুরগাঁও-২, দিনাজপুর-৩, দিনাজপুর-৫, লালমনিরহাট-১ ও ২, গাইবান্ধা-৪, বগুড়া-৩, সিরাজগঞ্জ-১, যশোর-৩, খুলনা-৩ ও ৫, বরগুনা-২, ঝালকাঠি-১, পিরোজপুর-২, ময়মনসিংহ-১, ৪ ও ১০, কিশোরগঞ্জ-৩, গোপালগঞ্জ-২, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫, চাঁদপুর-৪, চট্টগ্রাম-১৪ এবং কক্সবাজার-৪।

জোটের দাবি, এসব আসনে ফল পুনঃগণনা ও তদন্তের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।দেশব্যাপী সহিংসতার অভিযোগে বিক্ষোভের ঘোষণা ১১ দলীয় জোটের

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর দেশব্যাপী সহিংসতার অভিযোগ তুলে রাজধানীতে বিক্ষোভ মিছিলের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট।

ঘোষণা অনুযায়ী, সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) বিকাল ৪টায় রাজধানীর বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেট থেকে মিছিল শুরু হবে।

রোববার দুপুরে আগারগাঁওয়ে অবস্থিত নির্বাচন ভবনে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন-এর সঙ্গে বৈঠক শেষে গণমাধ্যমকে এ কর্মসূচির কথা জানান জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও ১১ দলীয় ঐক্যের সমন্বয়কারী হামিদুর রহমান আজাদ।

তিনি বলেন, বিক্ষোভ কর্মসূচির পরও পরিস্থিতির উন্নতি না হলে রাজপথে বৃহত্তর আন্দোলনের দিকে যেতে হতে পারে। তার ভাষ্য, তারা রাজনৈতিক সমাধান সংসদে চান; তবে সরকার আন্তরিক না হলে রাজপথেই সমাধান খুঁজতে বাধ্য হবেন।

এর আগে শনিবার সন্ধ্যায় জোটের লিয়াজোঁ কমিটির বৈঠকে এই কর্মসূচির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। জোটের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে তাদের নেতাকর্মী, বাসাবাড়ি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলার ঘটনা ঘটেছে।

নির্বাচনে জয়ী হয়ে সরকার গঠনের প্রস্তুতি নেওয়া বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-র নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে এসব সহিংসতার অভিযোগ তোলা হয়েছে। জোটের ভাষ্য, ভোটের আগে ও ভোটের রাতেও অন্তত ২১টি সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে।

এদিকে ১১ দলীয় জোট ৩০টি আসনে ভোট জালিয়াতি, কারচুপি ও ফলাফল শিটে অনিয়মের অভিযোগ তুলে পুনঃগণনার দাবি জানিয়েছে। যেসব আসনে আবেদন করা হবে তার মধ্যে রয়েছে—ঢাকা-৭, ঢাকা-৮, ঢাকা-১০, ঢাকা-১৩, ঢাকা-১৭, পঞ্চগড়-১, ঠাকুরগাঁও-২, দিনাজপুর-৩, দিনাজপুর-৫, লালমনিরহাট-১ ও ২, গাইবান্ধা-৪, বগুড়া-৩, সিরাজগঞ্জ-১, যশোর-৩, খুলনা-৩ ও ৫, বরগুনা-২, ঝালকাঠি-১, পিরোজপুর-২, ময়মনসিংহ-১, ৪ ও ১০, কিশোরগঞ্জ-৩, গোপালগঞ্জ-২, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫, চাঁদপুর-৪, চট্টগ্রাম-১৪ এবং কক্সবাজার-৪।

জোটের দাবি, এসব আসনে ফল পুনঃগণনা ও তদন্তের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।