সারাদেশ
চুয়াডাঙ্গায় ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আসছে প্রায় সাড়ে তিন লাখ পরিবার
চুয়াডাঙ্গা জেলায় ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের আওতায় আসছে ৩ লাখ ৪৭ হাজার ৯৭৫টি পরিবার। এসব পরিবারের তথ্য সংগ্রহে নিয়োজিত থাকবেন ৪৮০ জন নিয়মিত তথ্য সংগ্রহকারী ও ৪৮ জন রিজার্ভ কর্মী।
বুধবার থেকে জেলাজুড়ে তথ্য সংগ্রহের কাজ শুরু করেছে সংগ্রহকারীরা।
তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রমে কোনো পরিবার বাদ পড়বে না বলে জানিয়েছেন চুয়াডাঙ্গার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) বি.এম. তারিক উজ জামান।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক বি.এম. তারিক উজ জামান জানান, চুয়াডাঙ্গা জেলায় ৪১টি ইউনিয়ন ও ৪টি পৌরসভা রয়েছে। এর মধ্যে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলায় ৭১ হাজার ৩৮৫টি, আলমডাঙ্গা উপজেলায় ১ লাখ ৬ হাজার ৪০৪টি, দামুড়হুদা উপজেলায় ৮৭ হাজার ২৮৬টি এবং জীবননগর উপজেলায় ৫৬ হাজার ১১টি পরিবার রয়েছে। এ ছাড়া ইউসিডি চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার আওতায় রয়েছে ২৬ হাজার ৮৮৯টি পরিবার। সব মিলিয়ে জেলায় মোট ৩ লাখ ৪৭ হাজার ৯৭৫টি পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হবে।
তিনি আরও জানান, তথ্য সংগ্রহের জন্য ৪৮০ জন নিয়মিত তথ্য সংগ্রহকারী ও ৪৮ জন রিজার্ভ তথ্য সংগ্রহকারী নিয়োজিত থাকবেন। তাঁদের কার্যক্রম তদারকির জন্য থাকবেন ৪৮ জন নিয়মিত সুপারভাইজার ও ৪ জন রিজার্ভ সুপারভাইজার। ইতিমধ্যে নিয়োগপ্রাপ্ত তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজারদের দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ সম্পন্ন হয়েছে। তথ্য সংগ্রহকারীদের মধ্যে পরিচয়পত্র (আইডি কার্ড) ও ট্যাব বিতরণ করা হয়েছে। আজ বুধবার থেকে জেলাজুড়ে তথ্য সংগ্রহের কাজ শুরু করেছে সংগ্রহকারীরা।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক বলেন, “সরকারি কর্মসূচি সম্পর্কে জনগণের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি এবং সঠিক তথ্য প্রচারে গণমাধ্যমের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের উদ্দেশ্য, তথ্য সংগ্রহের পদ্ধতি ও নাগরিকদের করণীয় সম্পর্কে সঠিক তথ্য প্রচার করলে সরকারের পরিসর বাড়ে।”
তিনি আরও বলেন, “কার্ড পাওয়ার নিশ্চয়তা, সুবিধার পরিমাণ কিংবা বিতরণের সময়সূচি সম্পর্কে নিশ্চিত সরকারি নির্দেশনা ছাড়া কোনো তথ্য প্রচার না করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানাচ্ছি। গুজব ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রতিরোধ, প্রতারণা সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রমে জনগণের সহযোগিতা নিশ্চিত করতে আপনাদের দায়িত্বশীল ভূমিকা অত্যন্ত প্রয়োজন।”