সোশ্যাল মিডিয়া

কোরআনের কসম খেয়ে বলছি, কারো সাথে শারীরিক সম্পর্ক করিনি:মেঘনা আলম


ঢাকাপ্রকাশ ডেস্ক
প্রকাশ: ৩১ আগস্ট ২০২৫, ০৩:২৬ পিএম

কোরআনের কসম খেয়ে বলছি, কারো সাথে শারীরিক সম্পর্ক করিনি:মেঘনা আলম
মডেল মেঘনা আলম । ছবি: সংগৃহীত

মিথ্যা মামলার মাধ্যমে হয়রানি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করে ফেসবুকে স্ট্যাটাসে মডেল মেঘনা আলম বলেছেন, আমি কোরআনের কসম খেয়ে বলছি, আমি কখনো সচেতন অবস্থায় কারো সাথে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করিনি।

আজ পর্যন্ত আমি কুমারী শুধুমাত্র ক্ষমতাধর কারো সঙ্গে বিয়ে ভেঙে দেওয়ার কারণে আমাকে মিথ্যা মামলার মাধ্যমে হয়রানি করা বন্ধ হোক। ইতিহাসে বারবার নারীকেই অগ্নিপরীক্ষা দিতে হয়, অথচ পুরুষ থেকে যায় প্রশ্নহীন, নিরাপদ ও অব্যাহতি-প্রাপ্ত।

মডেল মেঘনা লিখেন, আল-কোরআন আল্লাহর সর্বশেষ বাণী। আজ আদালতে আমি শপথ করেছি সেই কোরআন হাতে নিয়ে যেটি আমাকে উপহার দিয়েছিল ঈসা, আরেকটি যেটি সৌদি বাদশাহ কর্তৃক মুদ্রিত ও সৌদি দূতাবাসের সরকারি অনুষ্ঠানে বিতরণকৃত। আমি আল-কোরআনের উপর হাত রেখে ঘোষণা করেছি, আমার জীবনে আমি কখনো কারো সাথে যৌন সম্পর্ক করিনি, এমনকি ঈসার সাথেও নয়। আমাকে চরিত্রহীন বা লম্পট প্রমাণের যে কোন অপচেষ্টা বন্ধ হোক।

মেঘনা আরও লিখেন, আমাদের সমাজে মানুষ প্রায়ই ভুল করে, দাড়ি-জুব্বা-বোরখা দেখলেই মনে করে সেটিই পবিত্রতার প্রতীক, আর কোনো নারী খোলামেলা পোশাক পরলেই ধরে নেয় সে সহজলভ্য। কিন্তু বাহ্যিক চেহারা দিয়ে অন্তর বোঝা যায় না । 

নানা  কারণে  আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে আছেন মডেল মেঘনা আলম। বিদেশি কূটনীতিক, রাষ্ট্রদূত আর প্রভাবশালীদের প্রেমের ফাঁদে ফেলে ব্ল্যাকমেইল করার  অভিযোগ উঠেছিল তার বিরুদ্ধে।

এরআগে, গত  ৯ এপ্রিল রাতে রাজধানীর বসুন্ধরার বাসা থেকে মেঘনা আলমকে আটক করে হেফাজতে নেয় ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আদেশ অনুযায়ী, পরদিন ১০ এপ্রিল রাতে আদালত মেঘনা আলমকে বিশেষ ক্ষমতা আইনে ৩০ দিন আটক রাখার আদেশ দেন। সুনির্দিষ্ট কারণ না জানিয়ে মেঘনা আলমের আটকের ঘটনা নানা আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দেয়।

চাঁদাবাজি ও প্রতারণার অভিযোগে ১৫ এপ্রিল তার বিরুদ্ধে মামলা হয়। মেঘনা আলম ও তার পূর্বপরিচিত ব্যবসায়ী মো. দেওয়ান সমিরকে এ মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়। এই মামলায় মেঘনা আলম ও তার পরিচিত ব্যবসায়ী দেওয়ান সমিরসহ অজ্ঞাত আসামিদের বিরুদ্ধে এক কূটনীতিকের কাছে পাঁচ মিলিয়ন ডলার অর্থ দাবির অভিযোগ আনা হয়। ১৭ এপ্রিল এই মামলায় মেঘনা আলমকে গ্রেফতার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেন আদালত। ২৯ এপ্রিল চাঁদাবাজি ও প্রতারণার মামলায় গ্রেফতার মডেল মেঘনা আলম জামিনে মুক্ত হয় ।