খেলা
সিরিজ জয়ের হাতছানি, র্যাঙ্কিংয়ের ৯ নম্বরে উঠতে পারে বাংলাদেশ
ঘরের মাঠে সফরকারী পাকিস্তানের বিপক্ষে শুধু সিরিজ জয়ের সম্ভাবনাই নয়, আইসিসি ওয়ানডে র্যাঙ্কিংয়ের ৯ নম্বরে ওঠার সুযোগও তৈরি হয়েছে বাংলাদেশের সামনে। প্রথম ওয়ানডেতে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে পাকিস্তানকে ৮ উইকেটে হারিয়ে সিরিজে এগিয়ে আছে মেহেদী হাসান মিরাজের নেতৃত্বাধীন টাইগাররা।
মিরপুরের শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশের জয়ে বড় ভূমিকা রাখেন তরুণ পেসার নাহিদ রানা। টর্নেডো গতির বোলিংয়ে পাকিস্তানের ব্যাটিং লাইনআপকে ভেঙে দেন তিনি। মাত্র ২৪ রান খরচায় ৫ উইকেট নিয়ে নিজের ক্যারিয়ারের প্রথম ফাইফার তুলে নেন এই পেসার। অন্যদিকে ব্যাট হাতে ঝড়ো ইনিংস খেলেন তানজিদ হাসান তামিম। তার অপরাজিত ৬৭ রানে সহজেই লক্ষ্য ছুঁয়ে ফেলে বাংলাদেশ।
পাকিস্তান প্রথমে ব্যাট করে ৩০.৪ ওভারে মাত্র ১১৪ রানে অলআউট হয়ে যায়। এটি বাংলাদেশের বিপক্ষে পাকিস্তানের ইতিহাসে সর্বনিম্ন স্কোর। এর আগে তাদের সর্বনিম্ন ছিল ১৬১ রান। পরে ১১৫ রানের লক্ষ্য মাত্র ১৫.১ ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে টপকে যায় বাংলাদেশ। ফলে ১০০ ওভারের ম্যাচ শেষ হয়ে যায় মাত্র ৪৫.৫ ওভারে।
আজ দ্বিতীয় ওয়ানডেতে আবারও মিরপুরে মাঠে নামবে দুই দল। বাংলাদেশ যদি এই ম্যাচটি জিততে পারে, তাহলে এক ম্যাচ হাতে রেখেই নিশ্চিত হবে সিরিজ জয়। পাকিস্তানের বিপক্ষে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের একমাত্র সিরিজ জয় ছিল ২০১৫ সালে, যখন ঘরের মাঠে পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করেছিল টাইগাররা।
এই সিরিজে জয় পেলে র্যাঙ্কিংয়েও উন্নতি হবে বাংলাদেশের। বর্তমানে ৭৭ পয়েন্ট নিয়ে টাইগাররা রয়েছে ১০ নম্বরে, আর ৭৭ পয়েন্ট নিয়েই ভগ্নাংশের ব্যবধানে ৯ নম্বরে আছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। আজকের ম্যাচে জয় পেলে বাংলাদেশের পয়েন্ট দাঁড়াবে ৭৯, ফলে ক্যারিবীয়দের টপকে ৯ নম্বরে উঠে আসবে তারা। আর যদি বাংলাদেশ ৩–০ ব্যবধানে সিরিজ জেতে, তাহলে পয়েন্ট হবে ৮১।
উল্লেখ্য, ২০২৭ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপে সরাসরি খেলতে হলে র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষ আটে থাকতে হবে বাংলাদেশকে। বর্তমানে ৮ নম্বরে থাকা ইংল্যান্ডের পয়েন্ট ৮৮। তাই এই সিরিজ টাইগারদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এক সুযোগ হয়ে এসেছে।