রবিবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৪ | ১ বৈশাখ ১৪৩১
Dhaka Prokash

হিমালয়ের ‘মায়ের গলার হার’ জয় করেছেন ‘বাবর আলী’

বাংলাদেশের অসাধারণ পবর্তারোহী বাবর আলীকে অনেকে চেনেন। কত কীর্তি তার। এবার জয় করেছেন নেপালের হিমালয়ের ২২ হাজার ৩শ ৯৪ ফিট উঁচু ‘আমা দাব্লাম’। নেপালের শেরপারা ভালোবেসে ডাকেন ‘মায়ের গলার হার’। গতকালই তার বিজয়ের খবর লিখে পাঠিয়েছেন সুমাইয়া রহমান কান্তি

নেপালের ২২ হাজার ৩শ ৪৯ ফিট উঁচু অনিন্দ্য সুন্দর ও অন্যতম টেকনিক্যাল পর্বত হলো ‘আমা দাব্লাম’। মানে অর্থ ‘মায়ের গলার হার’। অত্যন্ত বিপদজনক খাড়া রিজ ও ঢালু দেয়ালের জন্য অনেকেই ডাকেন “হিমালয়’স মেটাল হর্ণ” বা ‘হিমালয়ের ধাতব শিং’। অত্যন্ত বিখ্যাত এই পর্বত, দারুণ। এতোই সমীহের যে, ছবি আঁকা আছে নেপালের এক রুপির ব্যাংক নোটেই।
বাংলাদেশ থেকে এর আগে কোনোদিন কোনো পর্বতারোহী আমা দাব্লাম জয় করতে পারেননি চেষ্টায়ও। সে খরা কেটেছে। পর্বতটির শিখরে পৌছেছেন বাবর আলী। ২৫ অক্টোবর, ২০২২ ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা একটি নাম, বাবর ঐতিহসিক একজন পর্বতারোহী হিসেবে নিজেকে সুপ্রতিষ্ঠিত করেছেন। নেপালের সময় সকাল ৯টা ৩ মিনিটে তিনিই প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে আমাদের লাল-সবুজ পতাকাটি ওড়ালেন শিখরে।
চট্টগ্রামের এই তরুণ পর্বতারোহী পেশায় একজন চিকিৎসক। তবে পাহাড়প্রেমী হিসেবে নিজেকে পরিচয় দিতে ভালোবাসেন। পর্বতারোহণকে ধ্যানজ্ঞান মেনে ‘বেসিক মাউন্টেনিয়ারিং কোর্স’টি করেছেন ভারতের ‘নেহেরু ইন্সটিটিউট অব মাউন্টেনিয়ারিং’-এ। ২০১৪ সালে পর্বতারোহণ ক্লাব ‘ভার্টিক্যাল ড্রিমার্স’র তিনি অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা। এখন সাংগঠনিক সম্পাদক। সে বছর ক্লাব থেকে নেপালের হিমালয় অভিযানে গিয়েছেন। বাবর আলী সামিট করেছেন পাঁচ হাজার মিটার উচ্চতার একটি বিশেষ পর্বত। এরপর থেকে হিমালয়ে তার পথচলা শুরু হলো। ‘পর্বতারোহণের বিশুদ্ধতম ধরণ’ নামে পরিচিত ‘আলপাইন স্টাইল’। এভাবে ২০১৬ সালে ‘ভার্টিক্যাল ড্রিমার্স’র হয়ে সামিট করেছেন তিনি ভারতের ‘মাউন্ট ইয়ানাম’, ইংরেজিতে ‘মাউন্ট ইউনাম’। ভারতের হিমাচল প্রদেশের মানালি পর্বতমালার ২০ হাজার ফিট উঁচু পবত। আমাদের দেশ থেকে প্রথমবার আলপাইন স্টাইলে ইয়ানাম পাহাড়ের চূড়া জয় দলের অন্যতম ছিলেন বাবর। তিনি জয় করেছেন পর্বতটি। পায়ে হেঁটে ৬৪ জেলা ভ্রমণ করেছেন। প্রায় প্রতি বছর করেছেন এক বা একাধিক হিমালয় অভিযান। নিজেকে উপযুক্ত করে তুলতে বাবর নিয়মিত দৌঁড়ান। নামকরা সাইক্লিস্ট তিনি। করেছেন ‘ক্রস কান্ট্রি সাইক্লিং’। ‘কায়াকিং’ করেন।
ধারাবাহিকভাবে বাবর আলী লক্ষ্য হিসেবে স্থির করলেন, ‘মায়ের গলার হার’ জয় করবেন। আবার যাবেন হিমালয়ে। ৯ অক্টোবর অভিযানের জন্য দেশত্যাগ করলেন। ছুটতে লাগলেন নেপালের পথে। ১১ অক্টোবর প্রয়োজনীয় অনুমতি পেলেন। অন্যান্য সব প্রস্তুতিও শেষ করে ফেললেন দুুঁদে অভিযাত্রী। তবে বাধা হয়ে দাঁড়াল তাদের বৈরী আবহাওয়া। তাতে রাজধানী কাঠমান্ডু থেকে লুকলার নিয়মিত বিমান চলাচল বন্ধ হয়ে গেল।
তবে বাবর দমলেন না। খরচ আছে। তাই ১২ অক্টোবর অসাধারণ অভিযাত্রীটি সড়কপথে যাত্রা করলেন বেসক্যাম্পে। কিছু পথ গাড়িতে, বাকিটা পথ হেঁটে-এভাবে ১৯ অক্টোবর পৌঁছে গেলেন পর্বতারোহী বাবর আলী আমা দাব্লাম, বেস ক্যাম্প-১-এ। একদিন বিশ্রাম নিলেন। পরদিন ঘুরে এলেন বেস ক্যাম্প-২। উচ্চতা, স্বল্প অক্সিজেন, তুমুল আবহাওয়া, শরীরকে মানিয়ে নেওয়ার জন্য যেখানে পৌঁছানোর কোনো বিকল্প নেই। আবার নেমে এলেন নিয়মানুসারে বেস ক্যাম্প-১-এ। ২৩ অক্টোবর সূর্য ওঠার সঙ্গে, সঙ্গে বাবর আলী বেস ক্যাম্প থেকে যাত্রা শুরু করলেন। আবার উঠে গেলেন খুব কষ্ট আর ভালোবাসায় ‘আমা দাব্লাম’ বেস ক্যাম্প-২। তিনি এবার শরীরকে সইয়ে নিয়েছেন। আবহাওয়াও চেনা হলো তার জীবনে। ফলে পরদিন ২৪ অক্টোবর দারুণ শক্তিতে, তুমুল শ্রমে উঠে গেলেন আমা দাব্লাম বেস ক্যাম্প-৩।
২৫ অক্টোবর ভোরে মিনিটে শুরু হলো আমাদের পর্বতারোহী, বিখ্যাত অভিযাত্রী বাবর আলীর ‘আমা দাব্লাম’ বা হিমালয়ের ‘মায়ের গলার হার’ জয়ের চূড়ান্ত অভিযান। এবার তিনি আমা দাব্লাম জয় করবেন। চূড়াটি জয়ের চূড়ান্ত প্রচেষ্টা শুরু হলো বাংলাদেশী পর্বতারোহীর। নেপালের সময় সকাল ৯টা ৩ মিনিটে পর্বতটির শীর্ষে পৌঁছে গেলেন বাবর আলী।
বাংলাদেশের পর্বতারোহণের ইতিহাসে একটি নতুন অধ্যায় রচনা করলেন তিনি। ২৬ অক্টোবর, ২০২২ বিকালে আবার বেস ক্যাম্প-১ এ নেমে এলেন পর্বতারোহনের সাফল্য নিয়ে। তিনি সুস্থ ও পুরোপুরি ফিট। আমা দাব্লাম জয় করা পর্বতারোহী বাবর আলী কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসা নিয়ে বলেছেন তার নেপালী শেরপা পর্বতারোহী বন্ধু ও গাইড ‘বীরে তামাং’র কথা। ‘তিনি না থাকলে আমি আমা দাব্লাম জয় করতে পারতাম না’ জানিয়েছেন হাসিমুখে।
‘ভার্টিক্যাল ড্রিমার্স’র সাবেক সভাপতি ও বাংলাদেশের হয়ে তার সঙ্গে সর্বক্ষণ যোগাযোগের চেষ্টায় রত ফরহান জামান নেপাল থেকে এখনো না ফেরা বাবরের আমা দাব্লাম জয় করার ঘোষণা দিয়েছেন। বাবর আলী আমা দাব্লামের অভিজ্ঞতা এক বাক্যে বলেছেন, “নেপালের ‘হিমালয়ের মায়ের গলার হার’ সত্যিই পর্বতারোহীদের পর্বত। এই অভিযানের সব টাকা আমার দেওয়া। সব সহযোগিতা করেছে আমার ক্লাব।”

ওএফএস।

রেকর্ড দর্শকের সামনে মেসি-সুয়ারেজের গোলে মায়ামির জয়

ছবি: সংগৃহীত

সময়টা ভালো যাচ্ছিলো না ইন্টার মায়ামির। শেষ পাঁচ ম্যাচের একটাতেও জিততে পারেনি তারা। শেষ ম্যাচে গোল করেও মেসি জেতাতে পারেননি দলকে। তবে আজ আর ভুল করেননি, গোল করে, করিয়ে মায়ামির ব্যর্থতার বৃত্ত ভেঙে দিলেন তিনি।

রোববার (১৪ এপ্রিল) সকালে মেজর সকার লিগে কানসাস সিটির বিপক্ষে তাদের ঘরের মাঠে খেলতে নামে ইন্টার মায়ামি। দারুণ লড়াই হলেও শেষ পর্যন্ত ৩-২ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে সফরকারীরা। এ জয়ে ইস্টার্ন কনফারেন্সের শীর্ষস্থান ফিরে পেয়েছে মায়ামি। ৯ ম্যাচে পয়েন্ট ১৫।

চোটের কারণে টানা পাঁচ ম্যাচ খেলতে পারেননি মেসি। মন্তেরির বিপক্ষে কনক্যাকাফ চ্যাম্পিয়নস কাপের ম্যাচ দিয়ে দ্বিতীয়ার্ধে ফিরলেও সেদিন পুরোপুরি ছন্দে দেখা যায়নি আর্জেন্টাইন অধিনায়ককে। তবে আজ ম্যাচের শুরু থেকেই মেসি ছিলেন উজ্জ্বল। তাতে আলোর মুখ দেখে মায়ামিও।

তবে কানসাসের মাঠে প্রায় ৭৩ হাজার দর্শকের সামনে শুরুতে পিছিয়ে পড়ে মেসির মায়ামি। ম্যাচের ষষ্ঠ মিনিটেই বাঁ প্রান্ত দিয়ে এরিক টমির গোলে এগিয়ে যায় এসকেসি। অবশ্য সমতায় ফিরতে খুব একটা অপেক্ষা করতে হয়নি মায়ামিকে। মেসির সুবাদে দ্রুত ফেরে সমতায়।

ম্যাচের ১৮তম মিনিটে মেসির অসাধারণ অ্যাসিস্টে দলকে সমতায় ফেরান গোমেজ। এরপর আরো বেশকিছু আক্রমণ করলেও ব্যবধান বাড়াতে পারেনি মায়ামি। প্রথমার্ধের বাকি সময়ে তেমন কোনো জোরালো আক্রমণ না হওয়ায় সমতায় থেকে বিরতিতে যায় দু’দল।

তবে দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই মায়ামিকে এগিয়ে দেন মেসি। ৫১ মিনিটে গোলের দেখা পান বিশ্বকাপজয়ী এই তারকা। ডেভিড রুইজের কাছ থেকে বক্সের বাইরে বল পেয়ে চোখ ধাঁধানো শটে বল জালে জড়ান তিনি। চলতি মৌসুমে মায়ামির হয়ে ৫ ম্যাচে যা মেসির পঞ্চম গোল, সাথে আছে পাঁচ অ্যাসিস্টও।

এগিয়ে যাওয়ার আনন্দটা বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি মায়ামির। ৫৮ মিনিটে নিজের ও দলের দ্বিতীয় গোলে কানসাসকে সমতায় ফেরান টমি। ২-২ সমতায় খেলা তখন জমে ক্ষীর। জয়সূচক গোলের জন্যে দুই দলই চালাতে থাকে একের পর এক আক্রমণ।

তবে সব সংশয় উড়িয়ে দেন লুইস সুয়ারেজ। ৭১ মিনিটে অবশ্য কানসাস সমর্থকদের উল্লাস থামিয়ে মায়ামিকে আবার এগিয়ে দেন তিনি। ৩-২ ব্যবধানে এগিয়ে যায় মেসির দল। শেষ পর্যন্ত আর গোল না হলে এই ব্যবধানেই জয় নিশ্চিত করে মায়ামি।

মুক্তিপণের বিষয়ে কথা না বলতে অ্যাগ্রিমেন্ট হয়েছে: জাহাজের মালিকপক্ষ

সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখছেন এসআর শিপিংয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মেহেরুল করিম। ছবি: সংগৃহীত

৩১ দিন পর সোমালিয়ার জলদস্যুদের কবল থেকে ২৩ নাবিকসহ বাংলাদেশি জাহাজ এমভি আবদুল্লাহ মুক্তি পেয়েছে।

বাংলাদেশ সময় শনিবার (১৩ এপ্রিল) দিবাগত রাত ৩টা ৮ মিনিটের দিকে জাহাজ থেকে নেমে যায় দস্যুরা। এরপর জাহাজ সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ের একটি বন্দরের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়।

এদিকে উদ্ধারের পরপরই জাহাজ মুক্ত করতে দস্যুদের কত টাকা মুক্তিপণ দিতে হয়েছে এবং কীভাবে এসব টাকা দেওয়া হয়েছে তা নিয়ে বিভিন্ন গুঞ্জন ওঠে। এ বিষয়ে রোববার (১৪ এপ্রিল) চট্টগ্রামের আগ্রাবাদ এলাকায় কেএসআরএমের কর্পোরেট কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন করা হয় মালিকপক্ষকে।

এ বিষয়ে কেএসআরমের মালিকানাধীন এসআর শিপিংয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মেহেরুল করিম বলেন, আমি উদ্ধার প্রক্রিয়া হ্যান্ডেলিংয়ের জন্য জাতীয় এবং আন্তর্জাতিকভাবে মনোনীত প্রতিনিধি। আমাদের সঙ্গে ওদের কনফারেন্সিয়াল অ্যাগ্রিমেন্ট হয়েছে মুক্তিপণের বিষয়ে আলোচনা না করার জন্য। সেই অ্যাগ্রিমেন্ট অনুযায়ী আমি আপনাদের সঙ্গে কিছু শেয়ার করতে পারব না। কারণ এটা আমি সই করেছি। উদ্ধার প্রক্রিয়ায় আমরা আমেরিকান নিয়ম মেনেছি এবং ইউকে (যুক্তরাজ্য) ও সোমালিয়ার নিয়ম মেনেছি। ফাইনালি কেনিয়ার নিয়মও মেনেছি। সবার সঙ্গে আমাদের অ্যাগ্রিমেন্ট করা আছে এ বিষয়ে আলোচনা না করার জন্য। তবে আমি আবার বলি, আমরা সবকিছু আইন মেনে করেছি।

তবে এ বিষয়ে জানা গেছে, জলদস্যুদের দাবি অনুয়ায়ী মুক্তিপণ নিয়ে একটি উড়োজাহাজ বাংলাদেশ সময় শনিবার বিকেলে জিম্মি জাহাজের ওপর চক্কর দেয়। এসময় জাহাজের ওপরে ২৩ নাবিক অক্ষত থাকার বিষয়টি নিশ্চিত হয়। এরপর উড়োজাহাজ থেকে ডলারভর্তি ৩টি ব্যাগ সাগরে ফেলা হয়। স্পিডবোট দিয়ে এসব ব্যাগ জলদস্যুরা কুড়িয়ে নেয়। জাহাজে ওঠে দাবি অনুযায়ী মুক্তিপণ গুনে নেয় জলদস্যুরা। তবে চুক্তি অনুযায়ী জাহাজটি যথাসময়ে ছেড়ে দেয়নি দস্যুরা। পরে তারা আশেপাশে কেউ আটক করছে কি না সেটি নিশ্চিত হয়ে জাহাজটি থেকে দস্যুরা নেমে যায়।

সংবাদ সম্মেলনে কেএসআরএম গ্রুপের উপ-মহাব্যবস্থাপক শাহরিয়ার জাহান রাহাত বলেন, আমাদের কাছে নাবিকদের নিরাপত্তার বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্বপূর্ণ ছিল। তাই, কোনো সামারিক অভিযানে পক্ষে আমরা সম্মতি দেইনি। ভারতীয় যুদ্ধজাহাজ কর্তৃক এমভি আবদুল্লাহকে উদ্ধার অভিযান চালানোর পরিকল্পনাকেও নিরুৎসাহিত করা হয়। ভারতীয় যুদ্ধজাহাজ এমভি আব্দুল্লাহর পিছু নেওয়ার খবর জানার পর আমরা দ্রুত সরকারকে অবহিত করি। চট্টগ্রামের একাধিক মন্ত্রীকে বিষয়টি জানানোর পর মাত্র ৩০ মিনিটের মধ্যেই ভারতীয় যুদ্ধজাহাজ এমভি আবদুল্লাহর সঙ্গ ত্যাগ করে। এজন্য প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও শিক্ষামন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানায় কেএসআরএম গ্রুপ।

উল্লেখ্য, গত ১২ মার্চ দুপুরে কেএসআরএমের মালিকানাধীন এসআর শিপিংয়ের জাহাজটি জিম্মি করে সোমালিয়ান দস্যুরা। সেখানে থাকা ২৩ নাবিককে একটি কেবিনে আটকে রাখা হয়। আটকের পর জাহাজটিকে সোমালিয়ার উপকূলে নিয়ে যাওয়া হয়। ৫৮ হাজার মেট্রিক টন কয়লা নিয়ে গত ৪ মার্চ আফ্রিকার মোজাম্বিকের মাপুটো বন্দর থেকে যাত্রা শুরু করে এমভি আবদুল্লাহ। ১৯ মার্চ সেটি সংযুক্ত আরব আমিরাতের হামরিয়াহ বন্দরে পৌঁছানোর কথা ছিল।

বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে টাঙ্গাইলে মঙ্গল শোভাযাত্রা

মঙ্গল শোভাযাত্রা। ছবি: ঢাকাপ্রকাশ

টাঙ্গাইলে দিনব্যাপি নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে বাংলা নববর্ষ উদযাপন করা হয়েছে।

রবিবার (১৪ এপ্রিল) সকালে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে শহরের শহীদ স্মৃতি পৌরউদ্যান থেকে একটি মঙ্গল শোভাযাত্রা বের হয়। পরে শোভাযাত্রাটি টাঙ্গাইল পৌর শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে জেলা শিল্পকলা একাডেমি প্রাঙ্গণে গিয়ে শেষ করে একাডেমি হলরুমে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

আলোচনা সভায় জেলা প্রশাসক মো. কায়ছারুল ইসলামের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন- জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মো. ছানোয়ার হোসেন এমপি, জেলা পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার, টাঙ্গাইল পৌরসভার মেয়র এসএম সিরাজুল হক আলমগীর, টাঙ্গাইল এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রফিকুল ইসলাম প্রমুখ।

এ সময় অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন- জেলা শিল্পকলা একাডেমির কালচারাল অফিসার মো. এরশাদ হাসান। পরে দেশত্ববোধক গান, নৃত্য, লাঠিখেলা ইত্যাদি আয়োজনে বাংলা নববর্ষকে বরণ করে নেওয়া হয়। কর্মসূচিতে সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, সাংস্কৃতিক এবং স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, রাজনৈতিক নেতাকর্মী সহ নানা বয়সী নারী-পুরুষ অংশগ্রহণ করে।

অন্যদিকে, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবে বাংলা নববর্ষ বরণকে কেন্দ্র করে পান্তা-ইলিশ উৎসবের আয়োজন করা হয়। প্রেসক্লাব সভাপতি জাফর আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন- জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি খন্দকার আশরাফুজ্জামান স্মৃতি।

এতে প্রধান অতিথি ছিলেন- জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক এমপি অ্যাডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম (ভিপি জোয়াহের)।

সর্বশেষ সংবাদ

রেকর্ড দর্শকের সামনে মেসি-সুয়ারেজের গোলে মায়ামির জয়
মুক্তিপণের বিষয়ে কথা না বলতে অ্যাগ্রিমেন্ট হয়েছে: জাহাজের মালিকপক্ষ
বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে টাঙ্গাইলে মঙ্গল শোভাযাত্রা
ইরানের হামলার পর বাইডেন-নেতানিয়াহু ফোনালাপ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সেপটিক ট্যাংকে কাজ করতে নেমে ৩ শ্রমিকের মৃত্যু
বান্দরবানে ব্যাংক ডাকাতি: কেএনএফের আরও ৪ সদস্য কারাগারে
সালমান খানের বাড়ির সামনে দুর্বৃত্তদের গুলি
নওগাঁয় বর্ণাঢ্য আয়োজনে বাঙালির বর্ষবরণ
আজ রাজধানীতে বন্ধ থাকবে যেসব সড়ক
ইসরায়েলে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান
বিএনপি বাঙালির সংস্কৃতি সহ্য করতে পারে না: ওবায়দুল কাদের
৩১ দিন পর মুক্ত ২৩ নাবিক ও জিম্মি জাহাজ এমভি আবদুল্লাহ
আজ পহেলা বৈশাখ, চারুকলা অনুষদ থেকে মঙ্গল শোভাযাত্রা শুরু
নতুন বছর অপশক্তির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে প্রেরণা জোগাবে : প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ববাজারে রেকর্ড উচ্চতায় স্বর্ণের দাম
চাঁদপুরে যুবকের পায়ুপথে ৬ ইঞ্চি ডাব, অস্ত্রোপচারে অপসারণ
ঈদের আনন্দে যমুনার পাড়ে বিনোদন প্রেমীদের ঢল
চালের বস্তায় লিখতে হবে ধানের জাত ও মিল গেটের মূল্য
আজ চৈত্র সংক্রান্তি
তাপপ্রবাহ নিয়ে দুঃসংবাদ দিল আবহাওয়া অফিস