রাজধানী

আজও শাহবাগ অবরোধ করে প্রকৌশল শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, তীব্র যানজট


ঢাকাপ্রকাশ ডেস্ক
প্রকাশ: ২৭ আগস্ট ২০২৫, ০১:৩৮ পিএম

আজও শাহবাগ অবরোধ করে প্রকৌশল শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, তীব্র যানজট
ছবি: সংগৃহীত

পূর্বঘোষিত ‘লংমার্চ টু ঢাকা’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে শাহবাগ অবরোধ করেছেন প্রকৌশল শিক্ষার্থীরা। তিন দফা দাবিতে আজ দ্বিতীয় দিনের মতো রাজধানীর শাহবাগ অবরোধ করেছেন তারা।

বুধবার (২৭ আগস্ট) সকাল ১১টা থেকে ‘লংমার্চ টু ঢাকা’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে শিক্ষার্থীরা শাহবাগ চত্বরে জড়ো হয়ে সড়কে অবস্থান নেন। এর ফলে শাহবাগ এবং এর আশপাশের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়, যার ভোগান্তি পোহাতে হয় সাধারণ মানুষকে।

তাদের তিনটি মূল দাবি হলো-

১. ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের নবম গ্রেড তথা সহকারী প্রকৌশলী কিংবা সমমানের পদে নিয়োগের জন্য সব প্রার্থীকে লিখিত পরীক্ষা দিয়ে উত্তীর্ণ হতে হবে এবং কমপক্ষে বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রিধারী হতে হবে। কোটার মাধ্যমে কিংবা অন্য কোনো নাম দিয়ে সমমান পদে কাউকে পদোন্নতি দেওয়া যাবে না।

২. দশম গ্রেডের (উপসহকারী প্রকৌশলী বা সমমান) পদে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের জন্য নির্ধারিত ১০০% কোটা বাতিল করতে হবে। সেইসঙ্গে ওই পদে আবেদন করার জন্য ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিংকে ন্যূনতম যোগ্যতা হিসেবে নির্ধারণ করে বিএসসি ও এমএসসি ডিগ্রিধারীদের জন্য আবেদন করার সুযোগ রাখতে হবে।

৩. কেউ যদি বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি ছাড়া নিজের নামের সঙ্গে ‘ইঞ্জিনিয়ার’ পদবি ব্যবহার করেন, তাহলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।

এর আগের দিন, মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) বিকেল ৩টার দিকে বুয়েট শিক্ষার্থীরা শাহবাগ মোড়ে অবস্থান নেন। পরে বিভিন্ন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শত শত শিক্ষার্থী তাদের সঙ্গে যোগ দেন। প্রায় সাড়ে চার ঘণ্টা সড়ক অবরোধের পর রাত ৮টার দিকে তারা সেখান থেকে সরে যান।

একই দিনে রাজধানীর বনানীতে পোশাক শ্রমিকদের আন্দোলন এবং গাবতলীতে একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অবরোধ কর্মসূচির কারণে রাজধানীর একাধিক স্থানে সড়কজুড়ে চরম যানজট দেখা দেয়।

আজ দ্বিতীয় দিনেও আন্দোলনকারীরা শাহবাগ অবরোধ করে রেখেছেন। বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাইয়াজ বলেন, "আমরা এখন শাহবাগে অবস্থান করছি, তবে প্রয়োজনে দাবি আদায়ের লক্ষ্যে অন্য জায়গায়ও যেতে পারি।"

অবরোধ চলমান থাকায় রাজধানীর অন্যতম ব্যস্ত এ এলাকায় যান চলাচল একপ্রকার অচল হয়ে পড়েছে, ফলে সাধারণ যাত্রীরা পড়েছেন চরম দুর্ভোগে।