বিনোদন

আসামের বন্যাদুর্গত মানুষদের জন্য ৫০০ ঘর বানিয়ে দিচ্ছেন সালমান খান


বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশ: ০৭ আগস্ট ২০২৬, ১১:২১ পিএম

আসামের বন্যাদুর্গত মানুষদের জন্য ৫০০ ঘর বানিয়ে দিচ্ছেন সালমান খান
ছবি: সংগৃহীত

ভারতের আসামে ভয়াবহ বন্যায় বিপর্যস্ত হাজারো পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন বলিউড সুপারস্টার সালমান খান। গৃহহারা মানুষের পুনর্বাসনের জন্য তিনি ৫০০টি আধা স্থায়ী ঘর নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছেন। এ লক্ষ্যে একটি বেসরকারি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার সঙ্গে যৌথভাবে কাজ শুরু করেছেন তিনি।

সালমান খানের দাতব্য সংস্থা ‘বিইং হিউম্যান’ এর আগে বন্যাকবলিত এলাকায় খাদ্য ও জরুরি সামগ্রী বিতরণ করেছে। এবার ত্রাণ কার্যক্রমের দ্বিতীয় ধাপে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পুনর্বাসনকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ের ভয়াবহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত আসামে ইতোমধ্যে গৃহহারা পরিবারগুলোর জন্য ঘর নির্মাণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

ভারতীয় গণমাধ্যমের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত নেপালি খুটি গ্রামে এখন পর্যন্ত প্রায় ২২০টি আধা স্থায়ী ঘর নির্মাণ সম্পন্ন হয়েছে। শুরু থেকেই পুনর্বাসনকে ত্রাণ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে রাখা হয়েছিল। তবে অভিনেতা রণদীপ হুদাকে সরেজমিনে ত্রাণকাজে অংশ নিতে দেখে সালমান খান উদ্যোগটি আরও দ্রুত বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেন।

খবর অনুযায়ী, রণদীপ হুদা সালমান খানকে জানান যে ‘গ্লোবাল শিখস’ নামে একটি সংস্থার প্রায় ৭০ জন সদস্য ত্রাণ কার্যক্রমে যুক্ত আছেন। সংস্থাটির প্রতিষ্ঠাতা অমরপ্রীত সিং জানান, বাঁশ ও টিন দিয়ে আধা স্থায়ী ঘর নির্মাণ করা হচ্ছে, যা বন্যার সময় তুলনামূলক নিরাপদ থাকবে। প্রতিটি ঘর নির্মাণে আনুমানিক ৩৫ হাজার থেকে ৪০ হাজার রুপি ব্যয় হচ্ছে। এরপরই সালমান খান তাদের সঙ্গে যুক্ত হয়ে যৌথভাবে ৫০০টি ঘর নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেন।

অমরপ্রীত সিং জানান, শিবসাগর এলাকায় ক্ষয়ক্ষতি সবচেয়ে বেশি হয়েছে, যার কেন্দ্র নেপালি খুটি। প্রথম ধাপে ২২০টি ঘরের কাজ শেষ হয়েছে এবং সেগুলো ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হচ্ছে। প্রতিদিন গড়ে ৮ থেকে ১০টি ঘর নির্মাণ করা সম্ভব হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

অন্যদিকে, রণদীপ হুদাও নিয়মিত ত্রাণ কার্যক্রমে অংশ নিচ্ছেন। তিনি জানান, শিবসাগর রেলস্টেশন এলাকায় আশ্রয় নেওয়া ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য প্রতিদিন খাবার রান্না ও বিতরণ করা হচ্ছে। গত সাত দিন ধরে এই কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, মানুষের পাশে দাঁড়ানোই সবচেয়ে বড় দায়িত্ব। যে কোনো দুর্যোগে সবার সামর্থ্য অনুযায়ী এগিয়ে আসা উচিত বলেও তিনি আহ্বান জানান।