বিনোদন

শেখ হাসিনা বললেন- লকারের সোনা আমার, শাওনের দাবি এআই


বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশ: ২৭ নভেম্বর ২০২৫, ০৮:২৯ পিএম

শেখ হাসিনা বললেন- লকারের সোনা আমার, শাওনের দাবি এআই
ছবি কোলাজ: ঢাকাপ্রকাশ

মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দুটি লকার থেকে ৮৩২ ভরি সোনার গহনা জব্দের খবর প্রকাশ হওয়ার পর দেশজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। অগ্রণী ব্যাংকে থাকা এই লকার দুটি জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর মাধ্যমে জব্দ করা হয়েছিল।

ঘটনার পর বুধবার সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে একটি অডিও ক্লিপ, ওই রেকর্ডে হাসিনাকে আরো বলতে শোনা যায়- অগ্রণী ব্যাংকে তালা ভেঙেছে। কেন তালা ভাঙলো? চাবি তো আমার কাছে; আমি তো এখনো জীবিত আছি। তো আমি যেখানে এখনো জীবিত আছি আর মামলায় কেবল একটা রায় দিয়েছে। এই রায়ের সব ধাপ তো শেষও হয়নি। তার আগেই কেন গহনায় হাত দেবে?

gold1_Dhakaprokash.jpg

অন্যদিকে, অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওন তার ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে ওই গহনার ছবিগুলোকে এআই জেনারেটেড বলে দাবি করেছেন।

শাওন লেখেন, আমাদের ছোটবেলায় এআই ছিল না। কোন ধরনের নাচের গহনা কেমন হয় তা জানার জন‍্য গুগল ছিল না। রেফারেন্স নেয়ার জন‍্য পিন্টারেস্ট ছিল না। আমাদের মায়েরা নৃত‍্য গুরুর কাছ থেকে অভিজ্ঞতা ধার করে কিংবা ভিসিআর এ হিন্দি সিনেমার অল্পকিছু উচ্চাঙ্গ ধরনের নাচ দেখে গাউসিয়া মার্কেট থেকে ভরত নাট্যমের গহনা কিনতেন।

তিনি আরও লেখেন, লোকনৃত্যের হাসুলি, বিছা, নোলক এগুলোও সেখানে পাওয়া যেতো। ভরত নাট‍্যমের কিছু গহনা যেমন : সিতাপাটি, সিঁথির দুপাশের চন্দ্র-সূর্য, বাজুবন্ধ ঐসব দোকানে পাওয়া যেতো না বলে কেউ কেউ সেগুলো ভারত থেকে আনাতেন। আমার মা আমাকে জরির লেস আর সোনালি পুতি দিয়ে সেগুলো বানিয়ে দিতেন। এখন এআই এর কতো ভার্সন আছে। গুগল, পিন্টারেস্ট সহ কত্ত কত্ত এ‍্যাপ; পুরো পৃথিবী হাতের মুঠোয়। আর এই সময়ে এসে আপনারা এরকম চকবাজার মার্কা জিনিস প্রসব করলেন!! অন্তত ওনার পরা জামদানিগুলোর কথা ভেবে হলেও রুচিটা ঠিক রাখতেন।

তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া ওই অডিও বক্তব্যটি আসলেই হাসিনার কি না সে বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

রাজধানীর দিলকুশায় অবস্থিত অগ্রণী ব্যাংকের প্রধান শাখা থেকে জব্দ হওয়া দুটি লকারের মাধ্যমে হাসিনার উল্লেখযোগ্য স্বর্ণ ও সম্পদের তথ্য সামনে আসে। এর আগে ১০ সেপ্টেম্বর পূবালী ব্যাংকের মতিঝিল করপোরেট শাখার লকার জব্দ করে এনবিআরের সিআইসি। সেই লকারে একটিতে ১২ লাখ টাকার এফডিআর ও আরেকটিতে ৪৪ লাখ টাকা ছিল।