বিনোদন

প্যারিসের ‘পঁ দে আর্টস’ সেতুতে স্বামীর নামে প্রেমের তালা লাগালেন মেহজাবীন


বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশ: ১৩ জুলাই ২০২৫, ০২:০১ পিএম

প্যারিসের ‘পঁ দে আর্টস’ সেতুতে স্বামীর নামে প্রেমের তালা লাগালেন মেহজাবীন
বাংলাদেশের জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী। ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশের জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী এবার ভালোবাসাকে বন্দি করলেন চিরস্থায়ী এক প্রতীকী তালায়। ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসের ঐতিহ্যবাহী ‘পঁ দে আর্টস’ সেতুর রেলিংয়ে স্বামী আদনান আল রাজীবের নামের সঙ্গে নিজের নাম লিখে একটি ‘প্রেম তালা’ লাগিয়ে দিয়েছেন এই অভিনেত্রী।

ভালোবাসার প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত সেই তালার চাবি ছুঁড়ে ফেলেছেন নদীর তলদেশে, যেন এই বন্ধন কখনও না খুলে।

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক হ্যান্ডেলে মেহজাবীন প্রেম তালা লাগানোর মুহূর্তের কয়েকটি ছবি পোস্ট করেছেন। ক্যাপশনে লিখেছেন মাত্র একটি শব্দ—“Lock”। ছবিগুলোতে দেখা যায়, তিনি ও আদনান আল রাজীবের নাম খোদাই করা একটি তালা প্যারিসের সাইন নদীর ওপর অবস্থিত প্রেমিক-প্রেমিকাদের ঐতিহ্যবাহী ‘পঁ দে আর্টস’ ব্রিজে লাগিয়ে দিয়েছেন।

 

Mehazabien Chowdhury -2-Dhaka Prokah News-13-07-2025.jpg
বাংলাদেশের জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী। ছবি: সংগৃহীত

প্রসঙ্গত, প্রেমিক-প্রেমিকারা এই ব্রিজে নিজেদের ভালোবাসার প্রতীক হিসেবে তালা লাগিয়ে থাকেন। বিশ্বাস করা হয়, তালা লাগিয়ে চাবি নদীতে ফেলে দিলে সেই ভালোবাসা অমলিন ও চিরস্থায়ী হয়ে থাকে। পর্যটকদের মধ্যেও এটি একটি জনপ্রিয় রোমান্টিক রীতিতে পরিণত হয়েছে।

তবে ঠিক কবে মেহজাবীন এই তালা লাগিয়েছেন, সেটি স্পষ্ট নয়। কারণ, সম্প্রতি ইউরোপ সফরের বিভিন্ন মুহূর্তের ছবি তিনি ধারাবাহিকভাবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করছেন। কখনও মিলান, কখনও সুইজারল্যান্ড—ভ্রমণের নানা গন্তব্যে ঘোরার ছবি দিয়েছেন তিনি। এছাড়া কিছুদিন আগে কান চলচ্চিত্র উৎসবে অংশ নিয়েছিলেন, প্রেম তালা লাগানোর ঘটনাটি সেই সময়ের কিনা, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

এর আগে বিয়ে ও ভালোবাসার সম্পর্ক নিয়ে নিজের অনুভূতি শেয়ার করেছিলেন মেহজাবীন। তিনি জানান, “৯ এপ্রিল ২০১২ সালে প্রথম দেখা হয়েছিল মিষ্টি হাসির এক ছেলের সঙ্গে। আমি তখন এক বাড়ির বারান্দায় দাঁড়িয়ে ছিলাম, আর সে রাস্তা থেকে আমার দিকে তাকিয়ে হাত নাড়িয়েছিল।”

তিনি আরও বলেন, “আমরা মাত্র ১৫ মিনিট কথা বলেছিলাম। তারপর হাত মিলিয়েছিলাম। কিন্তু সেদিনই মনে হয়েছিল, যেন আমার মনের এক টুকরো ওর সঙ্গে করে নিয়ে চলে গেছে।”

১৩ বছরের প্রেমের গল্প প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “একসঙ্গে বড় হয়েছি আমরা, একে অপরের প্রতিটি সাফল্যে পাশে ছিলাম, উদযাপন করেছি, এবং প্রতিটি বাধা একসাথে পেরিয়েছি। শোনা যায়, সাত বছরের বন্ধুত্ব সারাজীবনের জন্য হয়। আমরা তো প্রায় তার দ্বিগুণ সময় একসঙ্গে পার করেছি।”