বিনোদন
ইনস্টাগ্রামে স্বামীকে তালাক, এবার র্যাপারের সঙ্গে বাগদান সারলেন দুবাই প্রিন্সেস
বিশ্ব গণমাধ্যমে আবারো শিরোনামে উঠে এসেছেন দুবাইয়ের রাজকুমারী শেখা মাহরা মোহাম্মদ রাশেদ আল মাকতুম। এবার যুক্তরাষ্ট্রের জনপ্রিয় র্যাপার ফ্রেঞ্চ মন্টানার সঙ্গে তার বাগদানের খবরে চমকে উঠেছে নেটিজেনরা।
শেখা মাহরা হলেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রধানমন্ত্রী ও দুবাইয়ের শাসক শেখ মোহাম্মদ বিন রশিদ আল মাকতুমের কন্যা। ৩১ বছর বয়সী এই রাজকন্যা ও ৪০ বছর বয়সী র্যাপার ফ্রেঞ্চ মন্টানার (আসল নাম করিম খারবুচ) প্রেমের গুঞ্জন শুরু হয় ২০২৪ সালের শেষ দিকে। তখনই মাহরা তাকে দুবাইয়ে স্বাগত জানান এবং একাধিক ছবি সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করেন।

এরপর মরুভূমির রাজ্যে এবং ফ্রেঞ্চ মন্টানার মাতৃভূমি মরক্কোতেও দু’জনকে একসঙ্গে একাধিকবার দেখা যায়। একসাথে অভিজাত রেস্তোরাঁয় খাওয়া, মসজিদ ঘোরা এবং প্যারিসের আইকনিক 'পন্ট ডেস আর্টস' ব্রিজে রোমান্টিক মুহূর্ত কাটানোর দৃশ্য ভাইরাল হয়ে যায় সামাজিক মাধ্যমে।
চলতি বছরের জুনে প্যারিস ফ্যাশন উইকে হাত ধরে হাজির হয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে নিজেদের সম্পর্কের কথা জানান এই জুটি। সম্প্রতি তারা নিজেদের বাগদানের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
এর আগে ২০২৩ সালের মে মাসে রাজপরিবারের আরেক সদস্য শেখ মানা বিন মোহাম্মদ বিন রশিদ আল মাকতুমের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন শেখা মাহরা। তাদের ঘরে রয়েছে একটি কন্যা সন্তান। তবে বিয়ের এক বছরের মধ্যেই ভেঙে যায় সেই সম্পর্ক।

বিবাহবিচ্ছেদের ঘোষণাটিও ছিল ব্যতিক্রমধর্মী। ইনস্টাগ্রামে এক পোস্টে মাহরা লিখেছিলেন, “প্রিয় স্বামী, যেহেতু তুমি অন্য সঙ্গীদের সঙ্গে ব্যস্ত, তাই আমি আমাদের বিবাহবিচ্ছেদ ঘোষণা করছি। আমি তোমাকে তালাক দিচ্ছি। সাবধান থেকো। – তোমার সাবেক স্ত্রী।”
পরে তিনি ‘ডিভোর্স’ নামে একটি পারফিউম ব্র্যান্ডও চালু করেন।
অন্যদিকে ফ্রেঞ্চ মন্টানা ‘আনফরগেটেবল’ এবং ‘নো স্টাইলিস্ট’-এর মতো জনপ্রিয় গানের জন্য আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিত। তিনি ২০০৭ সালে উদ্যোক্তা ও ডিজাইনার নাদিন খারবুচকে বিয়ে করেছিলেন। ২০১৪ সালে তাদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়।