ফিচার

আজ বিশ্ব চিঠি দিবস

হাতের লেখা চিঠি কি ফিরবে আবার আমাদের জীবনে?


ফিচার ডেস্ক
প্রকাশ: ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০৫:১৩ পিএম

হাতের লেখা চিঠি কি ফিরবে আবার আমাদের জীবনে?
রঙের ডাকবাক্স । ছবি: সংগৃহীত

মোবাইলের নোটিফিকেশনের ভিড়ে কি কখনো চিঠির অপেক্ষা করেছেন? হয়তো না। অথচ একসময় চিঠি মানেই ছিল আনন্দ, অপেক্ষা আর আবেগের অমূল্য প্রকাশ। সেই স্মৃতিকে জাগিয়ে তুলতেই প্রতি বছর ১ সেপ্টেম্বর বিশ্ব চিঠি দিবস (World Letter Writing Day) পালন করা হয়।

হাতে লেখা কয়েকটি অক্ষরের মধ্যে লুকিয়ে থাকে ভালোবাসা, কৃতজ্ঞতা, মায়া আর অনুভূতি। চিঠি শুধু যোগাযোগের মাধ্যম ছিল না; এটি ছিল সম্পর্কের সেতুবন্ধন, স্মৃতির সিন্দুক। পুরনো একটি চিঠি হাতে নিলেই আজও সেই সময়ের গন্ধ পাওয়া যায়।

কিভাবে শুরু হলো চিঠি দিবস?

বিশ্ব চিঠি দিবসের যাত্রা শুরু হয় ২০১৪ সালে, অস্ট্রেলিয়ার লেখক রিচার্ড সিমকিন্সের হাত ধরে। উদ্দেশ্য একটাই—প্রযুক্তির ভিড়ে হারিয়ে যাওয়া চিঠি লেখার আনন্দকে ফিরিয়ে আনা।

DHAKAPROKASH - letter box 1.jpg
কেউ রাখে না লাল রঙের ডাকবাক্সের খোঁজ ।  ছবি: সংগৃহীত


বাংলাদেশে চিঠির সোনালি ইতিহাস

গ্রামীণ জীবনে চিঠির গুরুত্ব ছিল অপরিসীম। ডাকপিয়নের পদচারণা মানেই ছিল নতুন খবর, সুখের বার্তা। সাহিত্যেও চিঠির প্রভাব অমলিন—রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অসংখ্য চিঠি আজও অমূল্য ঐতিহ্য।

চিঠি দিবসে আমাদের করণীয়

আজ অন্তত একজন প্রিয় মানুষকে হাতে লেখা একটি চিঠি লিখুন। আপনার কলমের স্পর্শে হয়তো জেগে উঠবে পুরনো স্মৃতি, গড়ে উঠবে নতুন সম্পর্ক।

চিঠি শুধু কাগজে লেখা শব্দ নয়, এটি হৃদয়ের স্পন্দন। প্রযুক্তি যতই এগিয়ে যাক, চিঠির আবেগকে কখনো মুছে ফেলা যায় না। তাই বলুন তো—শেষ কবে আপনি একটি চিঠি লিখেছেন?

 

লেখক: সালমা আক্তার
শিক্ষার্থী, নৃবিজ্ঞান বিভাগ
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়