জাতীয়

জুলাই অভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তিতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শুভেচ্ছা


ঢাকাপ্রকাশ ডেস্ক
প্রকাশ: ০৫ আগস্ট ২০২৫, ১২:৫০ পিএম

জুলাই অভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তিতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শুভেচ্ছা
ছবি: সংগৃহীত

জুলাই অভ্যুত্থানের প্রথম বর্ষপূর্তিতে অভ্যুত্থানপন্থি ছাত্র-জনতাকে শুভেচ্ছা জানিয়েছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) সকালে সংগঠনটির দপ্তর সম্পাদক শাহাদাত হোসেন এক বিবৃতিতে এ শুভেচ্ছা জানান।

বিবৃতিতে বলা হয়, ৫ আগস্ট—বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন। গত বছর এই দিনে ঘটে যাওয়া ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান দীর্ঘ দেড় দশকের ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান ঘটিয়ে নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতার সূচনা করেছিল। শহীদ ও আহতদের আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে অর্জিত এই বিজয়কে স্মরণ করে অভ্যুত্থানপন্থি সবাইকে অভিনন্দন ও রক্তিম শুভেচ্ছা জানায় সংগঠনটি।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এই দিনটি শুধু একটি রাজনৈতিক পরিণতির নয়, এটি এক নতুন সমাজব্যবস্থা ও রাষ্ট্র কাঠামো গঠনের আকাঙ্ক্ষারও প্রতিফলন। শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয় তাদের, যারা প্রাণ দিয়েছেন কিংবা আজীবনের জন্য পঙ্গু হয়ে গেছেন একটি মুক্ত ও সাম্যভিত্তিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার স্বপ্নে।

সংগঠনটি জানিয়েছে, ফ্যাসিস্ট শাসনের অবসানের পরও রাষ্ট্রযন্ত্রে অনেক উপাদান বহাল রয়েছে, যা অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে সাংঘর্ষিক। বিবৃতিতে উদ্বেগ জানিয়ে বলা হয়, জুলাই হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের বিচার প্রক্রিয়ায় এখনো দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই, যা শহীদদের আত্মত্যাগের সঙ্গে একপ্রকার বিশ্বাসঘাতকতা।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের দাবি, অভ্যুত্থানের লক্ষ্য ছিল কেবল সরকার পরিবর্তন নয়, বরং একটি নতুন রাজনৈতিক চুক্তি ও ফ্যাসিবাদী কাঠামোর মূলোৎপাটন। সেই লক্ষ্যে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, শ্রমজীবী, নারী, মাদরাসাপড়ুয়া থেকে শুরু করে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছিলেন।

বিবৃতির শেষ অংশে ‘জুলাই ঘোষণাপত্র’ প্রকাশের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে সংগঠনটি সংশ্লিষ্ট সব রাজনৈতিক দলকে সাধুবাদ জানিয়েছে। একই সঙ্গে ‘জুলাই-পরবর্তী বাংলাদেশ’ গঠনে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়।