জাতীয়

বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ককে অগ্রাধিকার দিচ্ছে চীন: প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং


ঢাকাপ্রকাশ ডেস্ক
প্রকাশ: ০৪ অক্টোবর ২০২৫, ০৭:৩৯ পিএম

বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ককে অগ্রাধিকার দিচ্ছে চীন: প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং
শি জিনপিং। ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ককে অত্যন্ত গুরুত্ব দিচ্ছে চীন। বাংলাদেশ-চীন কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০তম বার্ষিকী উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিনের সঙ্গে অভিনন্দন বার্তা বিনিময়কালে এমন মন্তব্য করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং।

শনিবার (৪ অক্টোবর) ঢাকায় চীনা দূতাবাস এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানিয়েছে।

চীনা প্রেসিডেন্ট শি বার্তায় উল্লেখ করেন, চীন ও বাংলাদেশ দুই ঐতিহ্যবাহী বন্ধুত্বপূর্ণ প্রতিবেশী দেশ, যাদের মধ্যে রয়েছে দীর্ঘ দিনের সাংস্কৃতিক ও কূটনৈতিক বিনিময়। তিনি বলেন, কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার পর গত পাঁচ দশক ধরে আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক প্রেক্ষাপটের নানা পরিবর্তনের মধ্যেও দুই দেশ শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের পাঁচ নীতি মেনে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সমতার ভিত্তিতে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখেছে এবং ‘উইন-উইন’ সহযোগিতার এক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।

শি জিনপিং আরও বলেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দুই দেশের পারস্পরিক আস্থা আরও সুসংহত হয়েছে। বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ (বিআরআই) সহযোগিতার পাশাপাশি বাণিজ্য, অবকাঠামো ও প্রযুক্তি উন্নয়নসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যবহারিক সহযোগিতা প্রসারিত হয়েছে। এতে চীন ও বাংলাদেশের মধ্যে কৌশলগত সহযোগিতামূলক অংশীদারিত্ব আরও গভীর হয়েছে।

তিনি জোর দিয়ে বলেন, “বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ককে আমরা বেশ গুরুত্ব দেই। আমি রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের সঙ্গে একত্রে কাজ করতে প্রস্তুত, যাতে ঐতিহ্যবাহী বন্ধুত্বকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়া যায়, পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদার হয় এবং অভিন্ন উন্নয়ন নিশ্চিত করা যায়। এতে দুই দেশের জনগণের কল্যাণ হবে এবং বিশ্ব শান্তি ও উন্নয়নে চীন-বাংলাদেশ একযোগে অবদান রাখতে পারবে।”

অভিনন্দন বার্তায় বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন বলেন, গত ৫০ বছরে চীন ও বাংলাদেশ পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও বিশ্বাসের ভিত্তিতে গভীর বন্ধুত্ব গড়ে তুলেছে। স্থায়ী সহযোগিতার মাধ্যমে দুই দেশের জনগণ বাস্তব সুবিধা পেয়েছে।

রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন আরও বলেন, আঞ্চলিক শান্তি, স্থিতিশীলতা ও অভিন্ন সমৃদ্ধি বৃদ্ধিতে চীনের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা বাংলাদেশ উচ্চভাবে মূল্যায়ন করে। একইসঙ্গে বাংলাদেশের টেকসই উন্নয়নে চীনের দীর্ঘমেয়াদি সহায়তার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, দুই দেশের নেতা ও জনগণের যৌথ প্রচেষ্টায় আগামী দিনে বাংলাদেশ-চীন সহযোগিতা আরও ব্যাপক সাফল্য বয়ে আনবে।