জাতীয়
শেরপুরে জামায়াত নেতার মৃত্যুতে অন্তর্বর্তী সরকারের গভীর উদ্বেগ
শেরপুরে সাম্প্রতিক সহিংস ঘটনায় জামায়াতে ইসলামীর এক নেতার মৃত্যুতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে অন্তর্বর্তী সরকার।
এক বিবৃতিতে সরকার জানায়, সহিংসতার সঙ্গে জড়িত যেকোনো প্রাণহানি অগ্রহণযোগ্য এবং অত্যন্ত দুঃখজনক।
জাতীয় নির্বাচনের মাত্র দুই সপ্তাহ বাকি থাকায় বিএনপি, জামায়াতে ইসলামীসহ সব রাজনৈতিক দলকে দায়িত্বশীল আচরণ ও তাদের নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের সর্বোচ্চ সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়েছে সরকার। বিবৃতিতে বলা হয়, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সহিংসতা, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও প্রাণহানির কোনো স্থান নেই।
সরকার জানায়, শেরপুরের সংঘর্ষ ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় পুলিশ ইতোমধ্যে তদন্ত শুরু করেছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে জেলায় নিরাপত্তা ব্যবস্থাও জোরদার করা হয়েছে।
বিবৃতিতে সব রাজনৈতিক দল, নেতা ও সমর্থকদের শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রেখে আইনের শাসনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকার আহ্বান জানানো হয়। একই সঙ্গে শান্তিপূর্ণ ও গঠনমূলক উপায়ে ভোটারদের সম্পৃক্ত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। এতে বলা হয়, জাতির ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে সবার শান্তিপূর্ণ আচরণ, শৃঙ্খলা ও গণতান্ত্রিক চর্চার ওপর।
সবশেষে অন্তর্বর্তী সরকার শান্তিপূর্ণ, অবাধ ও সুষ্ঠু জাতীয় নির্বাচন আয়োজনের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে।
উল্লেখ্য, বুধবার শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনে নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণার অনুষ্ঠানে মঞ্চে চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি নিহত হন। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ৫০ জন আহত হন। ঝিনাইগাতী উপজেলা মিনি স্টেডিয়াম মাঠে ইশতেহার অনুষ্ঠান শুরুর আগেই এ সহিংসতা ঘটে।