জাতীয়

জাতীয় পে স্কেল আন্দোলনের আড়ালে অশান্তির ষড়যন্ত্র?


নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০২:৫১ পিএম

জাতীয় পে স্কেল আন্দোলনের আড়ালে অশান্তির ষড়যন্ত্র?
ছবি: সংগৃহীত

জাতীয় পে স্কেল আন্দোলনের আড়ালে দেশকে অস্থিতিশীল করার একটি পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র চলছে-এমন গুরুতর অভিযোগ উঠেছে আন্দোলনের প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে পরিচিত ওয়ারেছ মিয়ার বিরুদ্ধে।

অভিযোগে বলা হচ্ছে, ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মাহমুদ হাসান রিপনের প্রত্যক্ষ নির্দেশনা ও পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই এই আন্দোলন পরিচালিত হচ্ছে।

বিশ্বস্ত সূত্রের দাবি, ওয়ারেছ মিয়া মাহমুদ হাসান রিপনের নিজ এলাকার বাসিন্দা এবং দীর্ঘদিন ধরে তাঁর ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে পরিচিত। 

সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, জাতীয় পে স্কেল আন্দোলনটি আদতে কোনো স্বতঃস্ফূর্ত আন্দোলন নয়; বরং এটি দেশজুড়ে অশান্তি সৃষ্টির একটি সুপরিকল্পিত কৌশলের অংশ।

এদিকে, সমাজসেবা অধিদপ্তরের নিয়োগকে কেন্দ্র করে ওয়ারেছ মিয়ার বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও চাকরি বাণিজ্যের অভিযোগও উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি প্রভাব খাটিয়ে চাকরি দেওয়ার নামে বিপুল অঙ্কের অর্থ লেনদেন করেছেন। এসব অবৈধ কর্মকাণ্ডে সাবেক ছাত্রলীগ নেতা মাহমুদ হাসান রিপনের সঙ্গে তাঁর সরাসরি যোগসাজস রয়েছে বলেও সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো দাবি করছে।

সূত্রগুলো আরও বলছে, চাকরি বাণিজ্যের মাধ্যমে গড়ে ওঠা এই শক্তিশালী নেটওয়ার্ক ব্যবহার করেই আন্দোলনের নামে একটি প্রভাব বলয় তৈরি করা হয়েছে। সেই বলয়কে কাজে লাগিয়ে রাষ্ট্রীয় স্থিতিশীলতা বিঘ্নিত করার অপচেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

এ বিষয়ে ওয়ারেছ মিয়া ও মাহমুদ হাসান রিপনের পক্ষ থেকে এখনো কোনো বক্তব্য বা ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি। তবে সচেতন মহলের অভিমত, অভিযোগগুলো অত্যন্ত গুরুতর এবং বিষয়টির প্রকৃত সত্য উদঘাটনে অবিলম্বে একটি নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্ত প্রয়োজন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, জাতীয় পে স্কেল আন্দোলনের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল ইস্যু যদি ব্যক্তিগত স্বার্থ, দুর্নীতি কিংবা রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে থাকে, তাহলে তা দেশের প্রশাসনিক কাঠামো ও সামাজিক স্থিতিশীলতার জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে উঠতে পারে।