জাতীয়
জিয়াউর রহমানের শাহাদতবার্ষিকী উপলক্ষে বিএনপির সাত দিনব্যাপী কর্মসূচি
প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদতবার্ষিকী উপলক্ষে সাত দিনব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বিএনপি। আগামী ২৫ মে থেকে ১ জুন পর্যন্ত এ কর্মসূচি চলবে বলে জানিয়েছেন দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
সোমবার (১৮ মে) সকালে নয়াপল্টনে বিএনপির যৌথ সভা শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, ‘দলের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের শাহাদাৎবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আমরা সাত দিনব্যাপী কর্মসূচি গ্রহণ করেছি এবং এর মধ্যে ঈদুল আযহা অনুষ্ঠিত হওয়ার কারণে কেউ যদি আলোচনা সভা বা অন্য কিছু দু-এক দিন পরেও করে তাতে কোনো অসুবিধা নেই।
কর্মসূচির বিস্তারিত তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘আগামী ২৫ মে দলের পক্ষ থেকে বিশেষ পোস্টার প্রকাশ করা হবে এবং বিএনপির বিভিন্ন সহযোগী ও অঙ্গসংগঠনও নিজস্ব উদ্যোগে আলোচনা সভা ও পোস্টার প্রকাশ করবে। কর্মসূচির অংশ হিসেবে আগামী ৩১ মে রোববার দুপুর ২টায় রাজধানীর রমনাস্থ ইনস্টিটিউশনে বিএনপির উদ্যোগে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে, যা বিশেষ কারণে একদিন পরে রাখা হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘দিবসটি উপলক্ষ্যে বরাবরের মতোই মূল দিন অর্থাৎ ৩০ মে ভোর ৬টায় দলের নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ সারাদেশে দলীয় পতাকা অর্ধনমিতকরণ করা হবে এবং একইসঙ্গে কালো পতাকা উত্তোলন করা হবে। ওই দিন বেলা ১১টায় দলের মহাসচিব ও সিনিয়র নেতাসহ অঙ্গ সংগঠনের নেতারা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাজারে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ ও মাজার জিয়ারত করবেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী ও দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান উপস্থিত থাকবেন।’
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব বলেন, ‘দিবসটি উপলক্ষ্যে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের প্রতি থানায় দুস্থদের মাঝে কাপড়, চাল, ডালসহ খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হবে।’
এ ছাড়াও তিনি বলেন, ‘সারাদেশে বিএনপির উদ্যোগে জেলা ও মহানগরীসহ আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের পাশাপাশি দুস্থদের মাঝে কাপড়, চাল, ডালসহ বিভিন্ন খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হবে।’
সংবাদ সম্মেলনে রিজভী অতীত রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে বলেন, বিভিন্ন সময়ে প্রতিশ্রুতি দিয়ে জনগণকে হতাশ করা হয়েছে। তবে বর্তমান সময়ে সরকার নানা কর্মসূচি বাস্তবায়নে সক্রিয় রয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, জিয়াউর রহমান দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব সুসংহত করতে ভূমিকা রেখেছিলেন এবং স্বল্প সময়ের মধ্যে জাতিকে নতুন আশা দেখিয়েছিলেন। একইভাবে খালেদা জিয়া গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে ভূমিকা রেখেছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।