জাতীয়
সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি পদ শূন্য হলে দায়িত্ব নেবেন স্পিকার
সংবিধানের বিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে বা দায়িত্ব পালনে কোনো কারণে অক্ষমতা দেখা দিলে জাতীয় সংসদের স্পিকার সাময়িকভাবে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। দেশের সর্বোচ্চ নির্বাহী ক্ষমতায় যেন কোনো শূন্যতা সৃষ্টি না হয়, সে লক্ষ্যেই এই সাংবিধানিক ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
সম্প্রতি নির্ভরযোগ্য একাধিক সূত্রে গুঞ্জন উঠেছে, রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন চিকিৎসার জন্য লন্ডন সফরের সময় ভারতের অবস্থানরত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন। এ ঘটনার পর রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা চলছে যে, বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি শিগগিরই পদত্যাগ করতে পারেন।
তবে রাষ্ট্রপতির সম্ভাব্য পদত্যাগ, সময় কিংবা তার স্থলাভিষিক্ত কে হচ্ছেন এ বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি। এর মধ্যেই সংবিধানের ৫৪ নম্বর অনুচ্ছেদ নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
সংবিধানের চতুর্থ ভাগে ‘নির্বাহী বিভাগ’ শিরোনামের অধীনে রাষ্ট্রপতির পদ, মেয়াদ ও দায়িত্ব সংক্রান্ত বিস্তারিত নির্দেশনা দেওয়া রয়েছে। এর মধ্যে ৫৪ নম্বর অনুচ্ছেদে স্পষ্ট বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে বা অসুস্থতা, অনুপস্থিতি কিংবা অন্য কোনো কারণে দায়িত্ব পালনে অসমর্থ হলে, নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত অথবা পূর্বের রাষ্ট্রপতি পুনরায় দায়িত্ব গ্রহণ না করা পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।
এই বিধান মূলত রাষ্ট্রের প্রশাসনিক ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ফলে রাষ্ট্রপতির পদে কোনো ধরনের শূন্যতা তৈরি হলেও সংবিধান অনুযায়ী দ্রুত বিকল্প ব্যবস্থা কার্যকর হয় এবং রাষ্ট্র পরিচালনায় স্থিতিশীলতা বজায় থাকে।