জাতীয়

সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের সম্পত্তি ক্রোকের খবর সঠিক নয়


ঢাকাপ্রকাশ ডেস্ক
প্রকাশ: ২০ আগস্ট ২০২৬, ০৭:৪৯ পিএম

সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের সম্পত্তি ক্রোকের খবর সঠিক নয়
ছবি: সংগৃহীত

নোয়াখালীর এক বাসিন্দার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের করা মামলায় সম্পত্তি জব্দের আদালতের আদেশকে কেন্দ্র করে একই নামের কারণে সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দীনকে নিয়ে ভুল সংবাদ প্রকাশের ঘটনা ঘটেছে।

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) এ ঘটনা ঘটে। নোয়াখালীর সদর উপজেলার স্থায়ী বাসিন্দা এবং বর্তমানে ঢাকায় বসবাসকারী মো. সাহাবুদ্দীন (৪৫) নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় তাঁর সম্পত্তি জব্দের নির্দেশ দেন আদালত।

তবে আদালতের ওই আদেশের প্রজ্ঞাপনকে কেন্দ্র করে কয়েকটি গণমাধ্যম সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দীনের ছবি ব্যবহার করে সংবাদ প্রকাশ করে। একই নামের কারণে এ বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়।

এর আগে মহানগর সিনিয়র বিশেষ জজ ও মহানগর দায়রা জজ আদালত ঢাকার বাসিন্দা মো. সাহাবুদ্দীনের সম্পত্তি জব্দের আদেশ দেন। তাঁর সম্পদ জব্দের আবেদন করেছিল দুর্নীতি দমন কমিশন।

মামলার নথি অনুযায়ী, অভিযুক্ত মো. সাহাবুদ্দীন ঢাকার সিদ্ধিক বাজার এলাকার বাসিন্দা। তাঁর বাবার নাম আব্দুর রব। তাঁর স্থায়ী ঠিকানা নোয়াখালীর সদর উপজেলার মাতার বাড়ি গ্রামে।

দুর্নীতি দমন কমিশনের উপসহকারী পরিচালক কে এম আসাদুজ্জামানের স্বাক্ষর করা আবেদনে বলা হয়, ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে এক কোটি ৮৭ লাখ ৪৭ হাজার ৩০৭ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও দখলে রাখার তথ্য পাওয়া গেছে। এ অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশন আইনের ২০০৪ সালের ২৭(১) ধারায় মামলা করা হয়।

আবেদনে আরও বলা হয়, অভিযুক্ত ব্যক্তি এসব সম্পদ ভোগদখলে রেখেছেন। তিনি অবৈধভাবে অর্জিত স্থাবর সম্পদ নষ্ট বা হস্তান্তরের চেষ্টা করতে পারেন বলে আশঙ্কা রয়েছে। এতে মামলার সুষ্ঠু তদন্ত ও অভিযোগ প্রমাণের ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হতে পারে।

এ কারণে মামলার স্বার্থে অভিযুক্তের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ জব্দ বা অবরুদ্ধ করা প্রয়োজন বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়। দুর্নীতি দমন কমিশন বিধিমালা, ২০০৭-এর ১৮ বিধি এবং দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৭(১) ধারার বিধান অনুযায়ী আদালতের মাধ্যমে এসব সম্পদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন জানানো হয়।

অর্থাৎ, আদালতের আদেশটি সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দীনের বিরুদ্ধে নয়। একই নামের অন্য এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে করা দুর্নীতি দমন কমিশনের মামলার ভিত্তিতেই তাঁর সম্পত্তি জব্দের আদেশ দেওয়া হয়েছে।