জাতীয়

কল্যাণমূলক রাষ্ট্র ও সমাজ প্রতিষ্ঠাই জনগণের প্রতি সরকারের অঙ্গীকার: প্রধানমন্ত্রী


ঢাকাপ্রকাশ ডেস্ক
প্রকাশ: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:০২ এএম

কল্যাণমূলক রাষ্ট্র ও সমাজ প্রতিষ্ঠাই জনগণের প্রতি সরকারের অঙ্গীকার: প্রধানমন্ত্রী
ছবি: সংগৃহীত

জনগণের সঙ্গে আলাপ আলোচনার মাধ্যমে তাদের স্বার্থ রক্ষা করে একটি কল্যাণমূলক রাষ্ট্র ও সমাজ প্রতিষ্ঠা করাই সরকারের অঙ্গীকার বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, ‘সবার আগে বাংলাদেশ, সবার জন্য বাংলাদেশ’ এই প্রত্যয়ে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস উপলক্ষে সোমবার দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস পালিত হচ্ছে। এবারের দিবসের মূল প্রতিপাদ্য, ‘হাত ও কণ্ঠস্বর তুলে ধরা, আলোচনাভিত্তিক গণতন্ত্রের মাধ্যমে অংশগ্রহণ ও মালিকানাবোধ জোরদার করা’।

বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশসহ বিশ্বের সব গণতন্ত্রকামী মানুষকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান। একই সঙ্গে তিনি তাদের গণতান্ত্রিক ও মানবিক অধিকারের প্রতি সমর্থন ব্যক্ত করেন।

তারেক রহমান বলেন, গণতন্ত্রের মূল দর্শন হলো রাষ্ট্র ও সমাজে মানুষের বাক ও ব্যক্তিস্বাধীনতা, সাম্য, মানবিক মর্যাদা এবং সামাজিক সুবিচার প্রতিষ্ঠা করা। গণতান্ত্রিক অধিকার শুধু ভোট দেওয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। গণতন্ত্রকে টেকসই ও প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত করতে জনগণের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করা জরুরি।

তিনি বলেন, এ লক্ষ্যেই সরকার দেশের মানুষের ধর্মীয়, রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠায় বদ্ধপরিকর।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, স্বাধীনতার পর বিভিন্ন সময়ে বাংলাদেশে মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ করা হয়েছে। স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র চালু করেছিলেন এবং মানুষের বাক, ব্যক্তি ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ফিরিয়ে দিয়েছিলেন।

দীর্ঘ দেড় দশকেরও বেশি সময় ধরে আন্দোলন সংগ্রামের ধারাবাহিকতায় বীর ছাত্র জনতা রক্তক্ষয়ী গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে দেশে ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান ঘটিয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

বিএনপি সরকারে থাকা কিংবা বিরোধী দলে থাকা, সব অবস্থান থেকেই বারবার গণতন্ত্রের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে জনগণ একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপিকে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছে।

তিনি বলেন, সরকার এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চায়, যেখানে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সমৃদ্ধি ও স্বনির্ভরতা নিশ্চিত হবে। পাশাপাশি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও উদার রাজনৈতিক পরিবেশ, সামাজিক স্থিতি এবং ন্যায়পরায়ণতা প্রতিষ্ঠিত হবে।

বাণীর শেষাংশে আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবসে বাংলাদেশসহ বিশ্বের সব মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকারের প্রতি শ্রদ্ধা জানান প্রধানমন্ত্রী।