জাতীয়

প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রদূতের বিদায়ী সাক্ষাৎ


ঢাকাপ্রকাশ ডেস্ক
প্রকাশ: ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৪১ পিএম

প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রদূতের বিদায়ী সাক্ষাৎ
ছবি: সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলামের সঙ্গে ঢাকায় নিযুক্ত চীনের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। সাক্ষাতে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় ও প্রতিরক্ষা সম্পর্ক আরও জোরদার করার পাশাপাশি ভবিষ্যতে সামরিক প্রশিক্ষণ, প্রযুক্তি ও যৌথ উদ্যোগ সম্প্রসারণের বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) ঢাকা সেনানিবাসে অবস্থিত সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের কার্যালয়ে প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রদূতের এ বিদায়ী সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

সাক্ষাৎকালে প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা বাংলাদেশে দায়িত্ব পালনকালে দুই দেশের সম্পর্ক উন্নয়নে রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের ভূমিকা ও অবদানের প্রশংসা করেন। বিশেষ করে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় এবং প্রতিরক্ষা সহযোগিতাকে আরও সুদৃঢ় ও কার্যকর করতে তাঁর গঠনমূলক ভূমিকার কথা উল্লেখ করেন তিনি।

প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়ন, প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নে চীনের দীর্ঘদিনের সহযোগিতার জন্য আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে ভবিষ্যতেও এ সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, আগামী দিনগুলোতে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতার পাশাপাশি সামরিক প্রশিক্ষণ, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং যৌথ উদ্যোগের পরিধি আরও বিস্তৃত ও শক্তিশালী হওয়ার সুযোগ রয়েছে। পারস্পরিক আস্থা ও সহযোগিতার ভিত্তিতে দুই দেশের প্রতিরক্ষা সম্পর্ক আরও নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে বলেও তিনি প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

সাক্ষাতে চীনের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বাংলাদেশকে চীনের অত্যন্ত বিশ্বস্ত বন্ধু এবং গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন ও কৌশলগত অংশীদার হিসেবে উল্লেখ করেন। বাংলাদেশে দায়িত্ব পালনকালে প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ও সশস্ত্র বাহিনীর পক্ষ থেকে পাওয়া সহযোগিতা ও সমর্থনের কথা তিনি কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন।

রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক এবং পারস্পরিক বিশ্বাস ভবিষ্যতে আরও গভীর হবে। দুই দেশের কৌশলগত অংশীদারত্বকে আরও এগিয়ে নিতে পারস্পরিক সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

সাক্ষাতে বাংলাদেশ ও চীনের বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের পাশাপাশি প্রতিরক্ষা ও সামরিক সহযোগিতার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়। উভয় পক্ষই ভবিষ্যতে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও জোরদার করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করে।