জাতীয়
বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও জোরদার হচ্ছে: মার্কিন রাষ্ট্রদূত
বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ক ক্রমেই আরও শক্তিশালী হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন। দুই দেশের মধ্যে কৃষিপণ্য ও খাদ্যশস্যের বাণিজ্য সম্প্রসারণের পাশাপাশি বাংলাদেশের খাদ্য ও পশুখাদ্যের চাহিদা পূরণেও যুক্তরাষ্ট্রের পণ্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
রোববার খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানমের সঙ্গে বৈঠক শেষে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন এসব কথা বলেন। বৈঠকে দুই দেশের বাণিজ্যিক সহযোগিতা এবং খাদ্য ও কৃষিপণ্য সরবরাহের বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হয় বলে রাষ্ট্রদূতের বক্তব্যে উঠে এসেছে।
বৈঠককে ফলপ্রসূ হিসেবে উল্লেখ করে ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন বলেন, খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানমের সঙ্গে তাঁর অত্যন্ত কার্যকর ও ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। এ সময় তিনি বাংলাদেশের খাদ্য ও পশুখাদ্যের চাহিদা পূরণে যুক্তরাষ্ট্রের সরবরাহ করা গম ও অন্যান্য শস্যের ভূমিকার কথা তুলে ধরেন।
মার্কিন রাষ্ট্রদূত জানান, যুক্তরাষ্ট্র থেকে সরবরাহ করা দুই লাখ টনেরও বেশি উন্নতমানের গম ও অন্যান্য শস্য ইতোমধ্যে বাংলাদেশের মানুষের খাদ্য এবং গবাদিপশুর খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। এসব পণ্য দেশের মানুষের পুষ্টির চাহিদা পূরণে সহায়তা করার পাশাপাশি খাদ্য ও পশুখাদ্যের ব্যয় কমাতেও ভূমিকা রাখছে।
তিনি আরও বলেন, কৃষিপণ্য ও খাদ্যশস্যের এই বাণিজ্য দুই দেশের পারস্পরিক সহযোগিতাকে আরও বিস্তৃত করছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্কও ক্রমাগত শক্তিশালী হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, খাদ্যশস্য ও কৃষিপণ্যের বাণিজ্য বাংলাদেশের খাদ্যনিরাপত্তা এবং কৃষি খাতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এ ধরনের বাণিজ্যিক সহযোগিতা অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও সম্প্রসারিত হওয়ার সুযোগ তৈরি হতে পারে। তবে এ বিষয়ে ভবিষ্যৎ অগ্রগতি নির্ভর করবে পারস্পরিক চাহিদা, সরবরাহ ও বাণিজ্যিক সমঝোতার ওপর।