জাতীয়
সংবিধানে বিসমিল্লাহ ও আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থা ফিরিয়ে আনা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
সংবিধানে বিসমিল্লাহ ও আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থা পুনর্বহাল করা হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেন, বিএনপি সরকার সংবিধানে প্রয়োজনীয় সংযোজনের মাধ্যমে এ বিষয়গুলো পুনরায় ফিরিয়ে আনবে।
শুক্রবার ৬ নভেম্বর জুমার নামাজের আগে ফটিকছড়ির আল জামিয়াতুল ইসলামীয়া আজিজুল উলুম বাবুনগর মাদ্রাসার দুই দিনব্যাপী ১০৪তম বার্ষিক মহাসম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সালাউদ্দিন আহমেদ বলেন, এ দেশে অনেকেই ইসলামের নামে রাজনীতি করেন। অথচ তাদের মধ্যে ইসলামের প্রকৃত আদর্শ ও অনুশাসনের প্রতিফলন নেই। এমনকি তাদের দলীয় প্রতীকেও ইসলামের কোনো প্রতিফলন দেখা যায় না। তারা কখনো কোরআন, সুন্নাহ ও ইসলামি শরিয়াহভিত্তিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার কথা বলেননি। তবে বিএনপি সরকার ঘোষণা করছে, সংবিধানে সংযোজনের মাধ্যমে বিসমিল্লাহ ও আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থা পুনরায় ফিরিয়ে আনা হবে।
তিনি আরও বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দল বিএনপি ইসলামের মূল্যবোধে বিশ্বাসী। দলটি আজীবন ইসলাম ও ঈমানের খেদমত করে যাচ্ছে।
পোশাকশিল্পে অস্থিরতার পেছনে পলাতক ফ্যাসিস্ট অপশক্তির সংশ্লিষ্টতা রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, দেশকে অস্থিতিশীল করতে ওই গোষ্ঠী অপচেষ্টা চালাচ্ছে। তবে এ দেশের মানুষ ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে ভবিষ্যতে আর রাজনীতি করতে দেবে না। আওয়ামী লীগ এ দেশে রাজনীতি করার কোনো অধিকার রাখে না।
মন্ত্রী বলেন, অনেকেই ফ্যাসিস্টদের এ দেশে পুনর্বাসন করতে এবং তাদের প্রত্যাবর্তনের ক্ষেত্র তৈরি করতে চায়। এ দেশের মানুষ তাদেরও ভালোভাবে চেনে। জনগণ ও সরকার মিলে তাদের এ অপচেষ্টা রুখে দেবে, ইনশাআল্লাহ।
গণহত্যাকারীদের বিচার নিশ্চিত করার কথা জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, শাপলা চত্বরের গণহত্যায় কতজন আলেম-ওলামা শহীদ হয়েছেন, তা এখনো জানা যায়নি। অনেকের মরদেহ পাওয়া যায়নি, আবার অনেকের কবরের সন্ধানও মেলেনি। তবে এ বর্বরোচিত গণহত্যার বিচার এ দেশের মাটিতেই হবে। একই সঙ্গে ২০২৪ সালের জুলাই গণহত্যারও বিচার করা হবে, ইনশাআল্লাহ।