খেলা
মিরাজ-হৃদয়ের ফিফটির পরও ২২১ রানে অলআউট বাংলাদেশ
টি-টোয়েন্টি সিরিজে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পর ওয়ানডে সিরিজে আফগানিস্তানের মুখোমুখি হলো বাংলাদেশ। তবে সাফল্যের সেই ধারাবাহিকতা প্রথম ওয়ানডেতে ধরে রাখতে পারেনি টাইগাররা।
শুরুতেই ধাক্কা খাওয়ার পর মেহেদী হাসান মিরাজ ও তাওহীদ হৃদয়ের জুটি দলকে সামলে তোলে। কিন্তু তাদের বিদায়ের পর আবারও ধস নামে ব্যাটিং লাইনআপে। ফলে সব মিলিয়ে বাংলাদেশ থামে ৪৯.১ ওভারে ২২১ রানে।
বুধবার (৮ অক্টোবর), আবুধাবির জায়েদ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাট করতে নামে বাংলাদেশ। তবে ইনিংসের শুরুতেই হারায় ওপেনার তানজিদ হাসান তামিমকে। আজমতউল্লাহ ওমরজাইয়ের চতুর্থ ওভারের বল ব্যাটে ছুঁয়ে সোজা গ্লাভসবন্দি হন গুরবাজের হাতে—তামিম ফেরেন মাত্র ১০ রানে।
এরপর তিনে নেমে ব্যর্থ হন শান্ত। ৫ বলে ২ রান করে আবারও শিকার হন ওমরজাইয়ের।
দলে অভিষিক্ত সাইফ চেষ্টা করলেও ইনিংস লম্বা করতে পারেননি। খারোটের বলে লং অফে রশিদ খানের হাতে ক্যাচ তুলে দিয়ে ফেরেন ৩৭ বলে ২৬ রানে।
এরপর মিরাজ ও হৃদয় গড়েন প্রতিরোধ। দুজনের ব্যাটে আসে ম্যাচের সবচেয়ে বড় ১০১ রানের জুটি। হৃদয় ৭৫ বলে তুলে নেন ফিফটি, আর মিরাজের লাগে ৭৪ বল।
তবে রান আউট হয়ে ভাঙে এই গুরুত্বপূর্ণ জুটি—৮৫ বলে ৫৬ রান করে বিদায় নেন হৃদয়। কিছুক্ষণ পর রশিদ খানের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে মিরাজও ফেরেন ৬০ রান করে (৮৭ বল)।
মিরাজ-হৃদয়ের পরের ব্যাটাররাও বড় কিছু করতে পারেননি। জাকের আলি (১০), নুরুল হাসান সোহান (৭), তানজিম হাসান সাকিব (১৭) ও তানভির ইসলাম (১১) দ্রুত ফিরে গেলে বাংলাদেশের ইনিংস গুটিয়ে যায় ২২১ রানে।
আফগানিস্তানের হয়ে রশিদ খান ও ওমরজাই শিকার করেন ৩টি করে উইকেট। গানজাফর ২টি এবং খারোটে নেন ১টি উইকেট।