খেলা
বিপিসি ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপের প্রথম ট্রফি জিতল করতোয়া সিটি
বগুড়া প্রফেশনালস’ ক্লাব (বিপিসি)-এর উদ্যোগে রাজধানীর তেজগাঁওয়ের টার্ফ নেশনে শনিবার অনুষ্ঠিত হয়েছে বিপিসি ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপ-২০২৬। বগুড়ার ১৩টি উপজেলার খেলোয়াড়দের নিয়ে জেলার চারটি ঐতিহ্যবাহী নদীর নামে গঠিত করতোয়া সিটি, নাগর ইউনাইটেড, অ্যাটলেটিকো যমুনা ও রিয়াল বাঙালি এই চারটি দলের অংশগ্রহণে দিনব্যাপী এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।
জমজমাট ফাইনাল ম্যাচে করতোয়া সিটি ও রিয়াল বাঙালি মুখোমুখি হয়। নির্ধারিত সময়ের হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পর পেনাল্টি শুটআউটে করতোয়া সিটি ১-০ ব্যবধানে রিয়াল বাঙালিকে পরাজিত করে বগুড়া প্রফেশনালস’ ক্লাবের আয়োজিত প্রথম ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা অর্জন করে।
খেলা শেষে অনুষ্ঠিত পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বগুড়া প্রফেশনালস’ ক্লাবের প্রেসিডেন্ট ও কো-ফাউন্ডার মুনজুরুল করিম এবং সেক্রেটারি ও কো-ফাউন্ডার মুহাম্মাদ মাছুদুর রহমান এবং ক্লাবের এক্সিকিউটিভ কমিটির সদস্যবৃন্দ।

অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিপিসির প্যাট্রন মেম্বার গ্রুপ ক্যাপ্টেন শওকত-উল-ইসলাম জিন্নাহ, বাংলাদেশ সরকারের অতিরিক্ত সচিব মো. তরিকুল আলম, ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক, সুরাইয়া আখতার জাহান, বাংলাদেশ পুলিশের ডিআইজি মীর আশরাফ আলী, ডিএমপি ডিবির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম, গ্রাম উন্নয়ন কর্মের নির্বাহী পরিচালক খন্দকার আলমগীর হোসেন, আইন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম-সচিব কবির উদ্দিন প্রামানিক, ঢাকাস্থ বৃহত্তর বগুড়া সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. মোশাররফ হোসেন চৌধুরী, এমএম গ্লাসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. তৌহিদুল ইসলাম টিটু, গণপূর্ত অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক মো. আশরাফুল আলম, এনএসআই-এর অতিরিক্ত পরিচালক আলমগীর হোসেন, ম্যাক্স ইনফ্রাস্ট্রাকচার লিমিটেডের জেনারেল ম্যানেজার মাজহারুল লিমনসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

অ্যাটলেটিকো যমুনা টিমের ম্যানেজার মো: রিয়েল বলেছেন, বগুড়া প্রফেশনালস’ ক্লাবকে আন্তরিক ধন্যবাদ, এমন একটি চমৎকার ফুটবল টুর্নামেন্ট আয়োজনের জন্য। এই আয়োজন শুধু প্রতিযোগিতার নয়, বরং আমাদের মধ্যে ভ্রাতৃত্ব, সৌহার্দ্য, ঐক্য ও পারস্পরিক সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করেছে।
অ্যাটলেটিকো যমুনা টিমের পক্ষ থেকে আমি আমাদের সকল খেলোয়াড়, সাপোর্টার এবং শুভাকাঙ্ক্ষীদের আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই।
মাঠে জয়-পরাজয় থাকবেই, কিন্তু খেলোয়াড়সুলভ মনোভাব, শৃঙ্খলা ও পারস্পরিক সম্মানই আমাদের সবচেয়ে বড় অর্জন। আমরা বিশ্বাস করি, খেলাধুলা সুস্থ সমাজ গঠনের অন্যতম মাধ্যম। ভবিষ্যতেও বিপিসির এমন সুন্দর আয়োজন অব্যাহত থাকবে এবং আমরা সবসময় এর সঙ্গে থাকার চেষ্টা করব, ইনশাআল্লাহ।
সবশেষে, টুর্নামেন্টের সফল আয়োজনের সঙ্গে সম্পৃক্ত সকলকে আবারও আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

আয়োজক কমিটির প্রধান সমন্বয়কারী ও বিপিসির কো-ফাউন্ডার-ট্রেজারার রিজভী আহমেদ বলেছেন, বগুড়ার পেশাজীবী ও বিভিন্ন উপজেলার মানুষের মধ্যে সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি এবং পারস্পরিক যোগাযোগ আরও সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে এ ধরনের ক্রীড়া আয়োজন ভবিষ্যতেও নিয়মিতভাবে অনুষ্ঠিত হবে। তিনি টুর্নামেন্ট সফল করতে সহযোগিতাকারী সকল খেলোয়াড়, সমর্থক, অতিথি ও পৃষ্ঠপোষকদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানান।