ক্যাম্পাস

ঢাবির সুফিয়া কামাল হলের ভিপির বিরুদ্ধে দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ


ঢাকাপ্রকাশ ডেস্ক
প্রকাশ: ০৯ নভেম্বর ২০২৫, ০২:১২ পিএম

ঢাবির সুফিয়া কামাল হলের ভিপির বিরুদ্ধে দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) কবি সুফিয়া কামাল হল সংসদের সহসভাপতি (ভিপি) সানজানা চৌধুরী রাত্রির বিরুদ্ধে দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ করা হয়েছে, হলের একটি ক্যান্টিন চালু রাখার বিনিময়ে মালিকের কাছ থেকে এ টাকা দাবি করা হয়।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে ভিপি সানজানা চৌধুরী রাত্রি বলেছেন, বিষয়টি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

জানা গেছে, গত ৯ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচনের পর সুফিয়া কামাল হলে একটি ক্যান্টিনের মালিককে নানা অভিযোগের ভিত্তিতে স্থানত্যাগ করতে হয়। এরপর অন্য ক্যান্টিনটির মালিকানা টিকিয়ে রাখতে হলে দুই লাখ টাকা দিতে হবে- এমন দাবি করেছেন ভিপি সানজানা, এমন অভিযোগ তুলেছেন দ্বিতীয় ক্যান্টিনের মালিক আবদুল্লাহ আল মামুন।

তিনি বলেন, “আমি সুফিয়া কামাল হলের দ্বিতীয় তলায় ক্যান্টিন পরিচালনা করতাম। দীর্ঘদিন ধরে ভালোভাবে ব্যবসা চললেও একদিন ভিপি সানজানা আমাকে বলেন, ‘ক্যান্টিন রাখতে হলে দুই লাখ টাকা লাগবে’। আমি তখন বলি, আমি গরিব মানুষ, এত টাকা দেওয়া সম্ভব নয়।”

অভিযোগের বিষয়ে ভিপি সানজানা চৌধুরী রাত্রি বলেন, “এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি। শিক্ষার্থীদের অভিযোগের ভিত্তিতে হল প্রশাসন ও সংসদের প্রতিনিধি হিসেবে আমরা ক্যান্টিনগুলোতে অভিযান চালাই। যেখানে অনিয়ম পাওয়া যায়, তার প্রমাণসহ প্রশাসনের কাছে দিয়েছি। এরপর থেকেই একটি পক্ষ আমাকে এবং সংসদকে হেয় করার জন্য মিথ্যা অভিযোগ ছড়াচ্ছে।”

তিনি আরও বলেন, “হল সংসদ ক্যান্টিন টিকিয়ে রাখা বা বাদ দেওয়ার ক্ষমতা রাখে না। এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার এখতিয়ার হল প্রশাসনের।”

এ বিষয়ে কবি সুফিয়া কামাল হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. সালমা নাসরীন বলেন, “আমি দুই লাখ টাকার কোনো ঘটনার ব্যাপারে জানি না, তবে বিষয়টি আমার কাছে বিশ্বাসযোগ্য মনে হয় না। ক্যান্টিন থাকবে কি থাকবে না, সেটা হল প্রশাসন ও সংসদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে নির্ধারণ করা হবে। এখানে চাঁদা দাবি করার প্রশ্নই আসে না।”

তিনি আরও জানান, “প্রথম ক্যান্টিন মালিককে নিয়ম অনুযায়ী বাদ দেওয়া হয়েছিল। দ্বিতীয় ক্যান্টিনের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের অভিযোগের পর এক সপ্তাহের সময় দেওয়া হয়, কিন্তু খাবারের মানের উন্নতি না হওয়ায় ক্যান্টিন পরিবর্তনের নোটিশ দেওয়া হয়েছে।”