বিনোদন

জামিনের পর তিশার অভিযোগ, ‘স্বামীর ক্ষমতা দেখিয়ে আমার সঙ্গে এটা করেছে’


বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশ: ১৩ আগস্ট ২০২৬, ০৬:৫২ পিএম

জামিনের পর তিশার অভিযোগ, ‘স্বামীর ক্ষমতা দেখিয়ে আমার সঙ্গে এটা করেছে’
ছবিঃ সংগৃহীত

শাড়ি আত্মসাতের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় জামিন পেয়েছেন ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী তানজিন তিশা। 

আজ বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুয়েল রানার আদালতে হাজির হয়ে আইনজীবীর মাধ্যমে জামিনের আবেদন করেন তিনি। শুনানি শেষে আদালত তার জামিন মঞ্জুর করেন।

জামিন পাওয়ার পর আদালত প্রাঙ্গণে নিজের বিরুদ্ধে করা মামলাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে অভিযোগ করেন তিশা। মামলার বাদী একজন নারী হওয়া সত্ত্বেও তার স্বামীর ক্ষমতা ব্যবহার করে তাকে হয়রানি করা হয়েছে বলে দাবি করেন এই অভিনেত্রী।

তিশা বলেন, ‘যিনি আমার বিরুদ্ধে এই অভিযোগ এনেছেন, তিনি একজন নারী। তার স্বামীর ক্ষমতা দেখিয়ে আমার সঙ্গে এটা করেছে। সে আমাকে অনেক ধরনের হুমকিও দিয়েছে। সেগুলো আমি প্রকাশ করব। এ সংক্রান্ত অনেক বিষয় আমার কাছে আছে, যা সময়মতো প্রকাশ্যে আনব।’

নিজের দীর্ঘ ক্যারিয়ারের কথা উল্লেখ করে তিশা বলেন, ২৭ হাজার টাকা মূল্যের একটি শাড়ি আত্মসাতের অভিযোগে তাকে আদালতে আসতে হয়েছে, বিষয়টি তার কাছে অপ্রত্যাশিত। তিনি বলেন, ‘আমার দীর্ঘ ১৫ বছরের ক্যারিয়ার। মাত্র একটি শাড়ির জন্য আমাকে আদালতে আসতে হবে, এটি কোনোভাবেই কাম্য নয়। আমি যেন সঠিক ও ন্যায়বিচার পাই, এটাই আমার একমাত্র কামনা।’

অভিযোগকারীর প্রতি ইঙ্গিত করে তিশা আরও বলেন, ‘তারও একটি ছোট মেয়ে আছে, সংসার ও ব্যক্তিগত জীবন আছে। উনিও একজন নারী। সেই জায়গা থেকে আরেকজন নারীকে এভাবে হয়রানি করা কোনোভাবেই মানা যায় না। ভবিষ্যতে যেন আর কাউকে এমন হীন উদ্দেশ্যে হয়রানি করা না হয়, সেটাই আশা করি।’

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, অনলাইন ফ্যাশন পেজ ‘অ্যাপোনিয়া’ থেকে ২৮ হাজার ৮০০ টাকা মূল্যের একটি শাড়ি নিয়েছিলেন তানজিন তিশা। অভিযোগকারী পক্ষের দাবি, শাড়িটির প্রচার চালানো এবং এর মূল্য পরিশোধের আশ্বাস দিয়েছিলেন অভিনেত্রী। তবে পরবর্তীতে তার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

শাড়িটির মূল্য পরিশোধ না করা এবং প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী প্রচার না চালানোর অভিযোগে তানজিন তিশার বিরুদ্ধে প্রতারণা ও বিশ্বাসভঙ্গের মামলা করা হয়। বৃহস্পতিবার ওই মামলায় আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করলে শুনানি শেষে আদালত তার জামিন মঞ্জুর করেন।