সারাবিশ্ব

তেলেঙ্গানায় মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন সাবেক ক্রিকেটার আজহারউদ্দিন


সারাবিশ্ব ডেস্ক
প্রকাশ: ৩১ অক্টোবর ২০২৫, ১০:৪৭ পিএম

তেলেঙ্গানায় মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন সাবেক ক্রিকেটার আজহারউদ্দিন
তেলেঙ্গানা রাজ্য মন্ত্রিসভায় মন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণের জন্য আজহারউদ্দিনকে অভিনন্দন জানান মুখ্যমন্ত্রী এ. রেবন্ত রেড্ডি । সংগৃহীত

ভারতের সাবেক ক্রিকেট অধিনায়ক ও কংগ্রেস নেতা মোহাম্মদ আজহারউদ্দিন তেলেঙ্গানা রাজ্য সরকারের নতুন মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন।

শুক্রবার (৩১ অক্টোবর) হায়দরাবাদের রাজভবনে রাজ্যপাল জিষ্ণু দেব ভার্মা তাঁকে শপথ বাক্য পাঠ করান। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী এ. রেভান্ত রেড্ডি, মন্ত্রিসভার সদস্য ও কংগ্রেসের শীর্ষ নেতারা।

তেলেঙ্গানা রাজ্যে কংগ্রেস সরকারের মন্ত্রিসভায় সর্বোচ্চ ১৮ জন মন্ত্রী থাকতে পারেন। আজহারউদ্দিন শপথ নেওয়ায় মন্ত্রীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৬ জনে। তবে মুসলিম সম্প্রদায় থেকে তিনিই একমাত্র মন্ত্রী হিসেবে জায়গা পেয়েছেন রেভান্ত রেড্ডির মন্ত্রিসভায়।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আগামী ১১ নভেম্বর অনুষ্ঠিতব্য জুবিলি হিলস বিধানসভা উপনির্বাচনকে সামনে রেখে আজহারউদ্দিনের অন্তর্ভুক্তি কংগ্রেসের জন্য কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। ওই আসনে প্রায় ৩ লাখ ৯০ হাজার ভোটারের মধ্যে ১ লাখ ২০ থেকে ১ লাখ ৪০ হাজার মুসলিম ভোটার থাকায় এ সিদ্ধান্ত কংগ্রেসের ভোট ব্যাংকে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

তবে বিরোধী দল বিজেপি অভিযোগ তুলেছে, সংখ্যালঘু ভোটারদের প্রভাবিত করতে কংগ্রেস “রাজনৈতিক তোষণ” করছে।

আসন্ন উপনির্বাচনে প্রধান তিন দলের প্রার্থী হচ্ছেন- বিআরএসের মাগন্তী সুনীতা (প্রয়াত গোপীনাথের স্ত্রী), কংগ্রেসের বল্লালা নবীন যাদব, বিজেপির লঙ্কালা দীপক রেড্ডি।

শপথ নেওয়ার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে আজহারউদ্দিন বলেন, “আমি খুব খুশি। দলের শীর্ষ নেতৃত্ব, সাধারণ মানুষ ও সমর্থকদের প্রতি কৃতজ্ঞ। এই পদে নিয়োগের সঙ্গে উপনির্বাচনের কোনো সম্পর্ক নেই-এ দুটি সম্পূর্ণ আলাদা বিষয়।”

তিনি আরও বলেন, “আমাকে যে দায়িত্বই দেওয়া হোক না কেন, আমি সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে নিপীড়িত ও অবহেলিত মানুষের কল্যাণে কাজ করতে চাই।”

দীর্ঘ ক্রিকেটজীবনে ভারতের অন্যতম সফল অধিনায়ক ছিলেন মোহাম্মদ আজহারউদ্দিন। অবসরের পর তিনি রাজনীতিতে যোগ দেন এবং কংগ্রেসের হয়ে সক্রিয়ভাবে কাজ শুরু করেন। বর্তমানে তিনি তেলেঙ্গানা রাজ্যের অন্যতম প্রভাবশালী মুসলিম নেতা হিসেবে বিবেচিত।