জাতীয়
থাইল্যান্ড-কম্বোডিয়ার বিনা শর্তে যুদ্ধবিরতিতে বাংলাদেশের স্বাগত
থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার মধ্যে চলমান চার দিনের সংঘর্ষের অবসান ঘটিয়ে যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এ সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে বাংলাদেশ। আজ মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ অবস্থান জানায়।
বিবৃতিতে বলা হয়, কোনো শর্ত ছাড়াই থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়া যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হওয়ায় বাংলাদেশ তা আন্তরিকভাবে স্বাগত জানায়। একইসঙ্গে সর্বোচ্চ রাজনৈতিক পর্যায়ে শান্তিপূর্ণ আলোচনার মাধ্যমে যুদ্ধবিরতির সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে সহায়ক ভূমিকা পালন করায় আসিয়ান চেয়ারে থাকা মালয়েশিয়ার প্রশংসা করে ঢাকা।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, থাইল্যান্ড-কম্বোডিয়ার মধ্যকার দীর্ঘদিনের সীমান্ত বিরোধ নিরসনে কূটনৈতিক সংলাপ অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেছে বাংলাদেশ। এতে বলা হয়, উভয় দেশ যেন সংলাপ ও শান্তিপূর্ণ উপায়ে সীমান্ত নির্ধারণের সমস্যার সমাধান করে এবং সীমান্তবর্তী অঞ্চলে বসবাসকারী মানুষের জীবন ও জীবিকার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ করে।
বাংলাদেশ আশা প্রকাশ করেছে, দুই দেশ যুদ্ধবিরতির এই চুক্তিকে স্থায়ী শান্তির পথে রূপান্তর করবে এবং সীমান্ত এলাকায় শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে প্রাথমিক পুনরুদ্ধারের কাজ দ্রুত শুরু করবে।
উল্লেখ্য, শত বছরের পুরনো সীমান্ত বিরোধের জেরে গত বৃহস্পতিবার থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার মধ্যে হঠাৎ করে সংঘর্ষ শুরু হয়। এই সংঘাতে উভয়পক্ষের অন্তত ৩৬ জন নিহত হন বলে জানা গেছে। সংঘর্ষের সময় সীমান্ত অঞ্চলে ব্যাপক গোলাগুলি ও ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটে।
বাংলাদেশ এমন পরিস্থিতিতে সংঘাত নয়, বরং সংলাপ এবং কূটনীতিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ সমাধানকেই সবসময় সমর্থন করে—এমন অবস্থান আবারও পুনর্ব্যক্ত করেছে।