জাতীয়

মহানবী (সা.) বিশ্ব মানবতার জন্য অনিন্দ্য আদর্শ: প্রধান উপদেষ্টা


ঢাকাপ্রকাশ ডেস্ক
প্রকাশ: ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০৯:১২ পিএম

মহানবী (সা.) বিশ্ব মানবতার জন্য অনিন্দ্য আদর্শ: প্রধান উপদেষ্টা
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ছবি: সংগৃহীত

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, হযরত মুহাম্মদ (সা.) বিশ্ব মানবতার জন্য যে অনিন্দ্য সুন্দর ও অনুসরণীয় শিক্ষা এবং আদর্শ রেখে গেছেন, তা যুগে যুগে সমগ্র মানবজাতির মুক্তির দিশারি হিসেবে কাজ করবে।

শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর) পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে এক বাণীতে তিনি এসব কথা বলেন। আগামীকাল শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) পালিত হবে।

বাণীতে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ মহামানব, সর্বশেষ নবী ও রাসূল হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জন্ম ও ওফাতের স্মৃতিবিজড়িত ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) সারাবিশ্বের মুসলমানদের জন্য একটি মহিমান্বিত দিন। এ উপলক্ষে তিনি দেশবাসীসহ সমগ্র মুসলিম উম্মাহকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানান।

তিনি বলেন, মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) ছিলেন ‘রাহমাতুল্লিল আলামিন’—সমগ্র বিশ্বজগতের জন্য রহমত। মহান আল্লাহ তাঁকে মানবজাতির হেদায়েত ও মুক্তির জন্য প্রেরণ করেছেন। পবিত্র কুরআনে মহান আল্লাহ বলেন, “হে নবী, আমি আপনাকে সমগ্র বিশ্বজগতের জন্য কেবল রহমতরূপে প্রেরণ করেছি” (সূরা আল-আম্বিয়া, আয়াত: ১০৭)।

হযরত মুহাম্মদ (সা.) ছিলেন ‘সিরাজাম মুনিরা’—আলোকোজ্জ্বল প্রদীপ, যিনি কুসংস্কার, অন্যায়, অবিচার, দাসত্ব ও পাপাচারের অন্ধকার থেকে মানুষকে মুক্তি দিয়ে সত্য, শান্তি ও প্রগতির পথে পরিচালিত করেছেন। তাঁর অনুপম চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য, আল্লাহর প্রতি অগাধ ভালোবাসা, অপরিসীম দয়া এবং মহৎ গুণাবলির কারণে পবিত্র কুরআনে তাঁকে বলা হয়েছে ‘উসওয়াতুন হাসানাহ্’, অর্থাৎ সুন্দরতম আদর্শ।

প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেন, নবীজির জীবনাদর্শ ও সুন্নাহর অনুসরণ আজকের এই দ্বন্দ্ব-সংঘাতময় বিশ্বে শান্তি, ন্যায়বিচার এবং কল্যাণ প্রতিষ্ঠায় সবচেয়ে কার্যকর পথ। ধর্মীয় ও পার্থিব জীবনে তাঁর অনুপম শিক্ষা ও দিকনির্দেশনা বিশ্ববাসীর জন্য শ্রেষ্ঠ অনুসরণীয় উদাহরণ। এর মধ্যেই মুসলমানদের জন্য রয়েছে অফুরন্ত কল্যাণ, সফলতা ও শান্তি।

বাণীতে তিনি কামনা করেন, পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) সকলের জীবনে বয়ে আনুক অফুরন্ত শান্তি ও সমৃদ্ধি। সমগ্র মুসলিম উম্মাহর ঐক্য আরও সুদৃঢ় হোক। মহানবী (সা.)-এর সুমহান জীবনাদর্শ লালন ও অনুসরণের মাধ্যমে আমাদের ইহকালীন ও পরকালীন জীবনের সার্বিক কল্যাণ ও মুক্তি নিশ্চিত হোক। আমিন।