জাতীয়

বিদেশ সফরের সাফল্য সরকারের নয়, বাংলাদেশের মানুষের অর্জন: প্রধানমন্ত্রী


ঢাকাপ্রকাশ ডেস্ক
প্রকাশ: ২৭ জুন ২০২৬, ০৪:৩৩ পিএম

বিদেশ সফরের সাফল্য সরকারের নয়, বাংলাদেশের মানুষের অর্জন: প্রধানমন্ত্রী
ছবি: সংগৃহীত

মালয়েশিয়া ও চীন সফরে দেশের মানুষের স্বার্থ রক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, নিজের অবস্থান থেকে দেশের ও দেশের মানুষের স্বার্থ তুলে ধরার পাশাপাশি সেই স্বার্থ রক্ষায় সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছেন তিনি।

শনিবার (২৭ জুন) বেলা ১১টার দিকে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে বক্তব্য দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের জনগণ তাদের স্বার্থ রক্ষার দায়িত্ব সরকারকে দিয়েছে। সেই দায়িত্ব পালনের অংশ হিসেবে সরকার সব সময় ‘বাংলাদেশ প্রথম’ নীতিকে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। তিনি বলেন, দেশের স্বার্থের প্রশ্নে নিজের অবস্থান থেকে সর্বোচ্চ ভূমিকা রাখার চেষ্টা করেছেন।

তিনি আরও বলেন, এই সফরে ব্যক্তিগত কোনো অর্জনের বিষয় নেই। যদি কোনো ইতিবাচক সাফল্য অর্জিত হয়ে থাকে, তা বাংলাদেশের এবং দেশের মানুষের অর্জন। সফরের মাধ্যমে জনগণের জন্য কোনো সুফল এলে সেটিই হবে সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।

সংসদ সদস্যদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার ও বিরোধী দলের সদস্যরা দেশের স্বার্থে কাজ করতে তাকে উৎসাহ দিয়েছেন। এজন্য বিরোধীদলীয় নেতাসহ জাতীয় সংসদের সব সদস্যকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান তিনি।

এর আগে ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, সরকার গঠনের চার মাসের মাথায় প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া ও চীন সফর দুই দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করেছে।

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর এই সফরের মূল ভিত্তি ছিল পারস্পরিক মর্যাদা, পারস্পরিক স্বার্থ, অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা এবং কৌশলগত স্বায়ত্তশাসনের নীতি।

বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান বলেন, স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি বাস্তবায়নে বিরোধী দল সরকারের পাশে থাকবে। পাশাপাশি বিদেশের সঙ্গে সম্পাদিত গুরুত্বপূর্ণ চুক্তিগুলো জাতীয় সংসদে উপস্থাপনের আহ্বান জানান তিনি।

সরকার গঠনের পর প্রথম বিদেশ সফর হিসেবে গত ২১ জুন মালয়েশিয়া যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পরদিন আনুষ্ঠানিকতা শেষে তিনি চীন সফরে যান। সেখানে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এবং প্রধানমন্ত্রী লি ছিয়াংয়ের সঙ্গে বৈঠক করেন। এ সফরে চীনের সঙ্গে ১৭টি সমঝোতা স্মারক এবং মালয়েশিয়ার সঙ্গে একটি সমঝোতা ও দুটি দলিল বিনিময় করে বাংলাদেশ।